প্রিন্ট
তফসিলি ব্যাংক সম্পর্কিত রেজল্যুশন ক্ষমতা প্রয়োগ এবং এতদ্সংক্রান্ত বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ
যেহেতু তফসিলি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট, দেউলিয়াত্ব বা অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ অন্য যেকোনো ঝুঁকির সময়োপযোগী সমাধান, আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ এবং উহার সহিত সম্পর্কিত বা আনুষঙ্গিক বিষয়ে ব্যাংক রেজল্যুশন সংক্রান্ত বিষয়ে বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং
যেহেতু সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় রহিয়াছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে;
সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করিলেন:-
প্রথম অধ্যায়
প্রারম্ভিক
১। (১) এই অধ্যাদেশ ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ নামে অভিহিত হইবে।
(২) এই অধ্যাদেশ তফসিলি ব্যাংকের রেজল্যুশনের নিমিত্ত প্রযোজ্য হইবে।
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নবর্ণিত যেকোনো শর্ত সাপেক্ষে, এই অধ্যাদেশ রেজল্যুশনের অধীন তফসিলি ব্যাংকের সহিত সম্পর্কিত ব্যাংকিং গ্রুপ বা ফাইন্যান্সিয়াল গ্রুপের আওতাধীন যেকোনো সত্তা (Entity), হোল্ডিং কোম্পানি, অন্যান্য স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং নন-রেগুলেটেড অপারেশনাল এন্টিটি’র ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হইবে, যথা:-
(ক) সেবা, কার্যক্রম বা পরিচালনের ভিত্তিতে তফসিলি ব্যাংকের ব্যবসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংশ্লিষ্ট সত্তা, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি হইলে;
(খ) তফসিলি ব্যাংকের ব্যর্থতা সার্বিকভাবে হোল্ডিং কোম্পানি বা ফাইন্যান্সিয়াল গ্রুপের স্থায়িত্বের জন্য হমকিস্বরূপ হইলে;
(গ) ধারা ৯ অনুযায়ী রেজল্যুশনের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য রেজল্যুশন ব্যবস্থা গ্রহণ করিবার প্রয়োজন হইলে; অথবা
(ঘ) ফাইন্যান্সিয়াল গ্রুপের আওতাধীন এক বা একাধিক তফসিলি ব্যাংক ধারা ১৫-তে নির্ধারিত রেজল্যুশন সংক্রান্ত শর্তসমূহ পূরণ করিলে।
(৪) এই অধ্যাদেশ অবিলম্বে কার্যকর হইবে।