সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯
( ২০০৯ সনের ১৬ নং আইন )
  [২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৯]
     
     
কতিপয় সন্ত্রাসী কার্য প্রতিরোধ এবং উহাদের কার্যকর শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন
 
       যেহেতু কতিপয় সন্ত্রাসী কার্য প্রতিরোধ এবং উহাদের কার্যকর শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
       সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-
   
প্রথম অধ্যায়
প্রারম্ভিক
 
সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, প্রয়োগ ও প্রবর্তন  
১। (১) এই আইন সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ নামে অভিহিত হইবে।

      [ (২) সমগ্র বাংলাদেশে ইহার প্রয়োগ হইবে, এবং যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ বা বিমানে অবস্থানকারীর ক্ষেত্রেও, ইহা প্রযোজ্য হইবে।]

     (৩) ইহা ১১ জুন ২০০৮ তারিখে কার্যকর হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
   
   
 
সংজ্ঞা  
২। বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,-

(১) "অপরাধ" অর্থ এই আইনের অধীন দণ্ডনীয় কোন অপরাধ;

[ (২) ‘অস্ত্র’ অর্থ অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ (১৮৭৮ সনের ১১ নং আইন) এর ধারা ৪ এ বর্ণিত অস্ত্রশস্ত্র এবং যে কোন ধরনের পারমাণবিক, রাসায়নিক ও জীবাণু অস্ত্রও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;]

(৩) "আদালত" অর্থ দায়রা জজ এর বা, ক্ষেত্রমত, অতিরিক্ত দায়রা জজ এর আদালত;

[ (৩ক) ‘কনভেনশন’ অর্থ বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক যথাযথভাবে অনুসমর্থিত জাতিসংঘ কনভেনশন, ট্রিটি ও প্রটোকল সমূহ, যাহা এই আইনের তফসিল ১ এ অন্তর্ভুক্ত করা হইয়াছে, এবং বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, সময় সময় তফসিল ১ এ অন্তর্ভুক্ত হইতে পারে এইরূপ জাতিসংঘ কনভেনশন, ট্রিটি ও প্রটোকল;]

(৪) "কারাদণ্ড" অর্থ দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে উল্লিখিত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড;

(৫) "ফৌজদারী কার্যবিধি" বা "কার্যবিধি" অর্থ Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898);

(৬) " তফসিল" অর্থ এই আইনের তফসিল;

(৭) "দণ্ডবিধি" অর্থ Penal Code, 1860 (Act XLV of 1860);

(৮) "দাহ্য পদার্থ" অর্থ এমন কোন পদার্থ যাহাতে আগুন ধরাইবার বা আগুন তীব্রতর করিবার বা ছড়াইবার স্বাভাবিক উচ্চ প্রবণতা রহিয়াছে, যেমন- অকটেন, পেট্রোল, ডিজেল, রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সি,এন,জি), গান পাউডার, এবং অন্য যে কোন দাহ্য পদার্থও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে ;

(৯) "বাংলাদেশ ব্যাংক" অর্থ Bangladesh Bank Order, 1972 (P.O.No. 127 of 1972) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্যাংক;

[ (১০) ‘ব্যাংক’ অর্থ ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ (১৯৯১ সনের ১৪ নং আইন) এর ধারা ৫ (ণ) এ সংজ্ঞায়িত ব্যাংক কোম্পানী এবং অন্য কোন আইন বা অধ্যাদেশের অধীন ব্যাংক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত যে কোন প্রতিষ্ঠানও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;]

(১১) "বিচারক" অর্থ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা, ক্ষেত্রমত, সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এর বিচারক;

[ (১১ক) ‘বিদেশী নাগরিক’ অর্থ Foreigners Act, 1946 (Act No. XXXI of 1946) এর section 2 (a) তে সংজ্ঞায়িত ‘foreigner’;]

(১২) "বিশেষ ট্রাইব্যুনাল" অর্থ ধারা ২৮ এর অধীন গঠিত কোন সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল;

(১৩) "বিস্ফোরক দ্রব্য" অর্থ-

(ক) গানপাউডার, নাইট্রো-গ্লিসারিন, ডিনামাইট, গান-কটন, ব্লাসটিং পাউডার, ফুঁসে উঠা (fulminate) পারদ বা অন্য কোন ধাতু, রঙ্গিন আগুন (colored fire) এবং বিস্ফোরণের মাধ্যমে কার্যকর প্রভাব, বা আতসবাজির প্রভাব সৃষ্টির লক্ষ্যে ব্যবহৃত বা উৎপাদিত অন্য যে কোন দ্রব্য যাহা উপরি-উক্ত পদার্থসমূহের সদৃশ হউক বা না হউক; এবং

(খ) বিস্ফোরক সামগ্রী তৈরির যে কোন পদার্থ ও কোন বিস্ফোরক পদার্থের মাধ্যমে বা সহযোগে বিস্ফোরণ সৃষ্টি, বা ব্যবহারের অভিপ্রায়ে রূপান্তরিত করিবার, বা সহায়তার জন্য ব্যবহৃত, কোন যন্ত্র, হাতিয়ার, যন্ত্রপাতি বা বস্তুসহ অনুরূপ যন্ত্র, যন্ত্রপাতি বা হাতিয়ারের কোন অংশ এবং ফিউজ, রকেট, পারকাশন ক্যাপস, ডেটোনেটর, কাট্রিজ ও যে কোন ধরনের গোলাবারুদও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;

[ (১৪) ‘সম্পত্তি’ অর্থ দেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে অবস্থিত-

(অ) কোন বস্তুগত বা অবস্তুগত, স্থাবর বা অস্থাবর, দৃশ্যমান বা অদৃশ্যমান যে কোন প্রকৃতির তহবিল বা সম্পদ, উহা যেভাবেই অর্জিত হউক না কেন, এবং ইলেকট্রনিক বা ডিজিটালসহ যে কোন ধরনের আইনি দলিল বা ইনস্ট্রূমেন্ট যাহা উক্ত তহবিল বা সম্পদের মালিকানা স্বত্ব বা মালিকানা স্বত্বের স্বার্থ নির্দেশ করে, এবং উক্ত তহবিল বা সম্পদ হইতে প্রাপ্ত বা উদ্ভূত কোন মুনাফা, ডিভিডেন্ড বা অন্য কোন আয় বা মূল্যও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;

(আ) নগদ অর্থ বা স্থাবর বা অস্থাবর, দৃশ্যমান বা অদৃশ্যমান যে কোন প্রকৃতির আর্থিক পরিসম্পদ বা আর্থিক উৎস, উহা যেভাবেই অর্জিত হউক না কেন, এবং ইলেকট্রনিক বা ডিজিটালসহ যে কোন ধরনের আইনি দলিল বা ইনস্ট্রূমেন্ট যাহা উক্ত তহবিল বা অন্যান্য সম্পদের মালিকানা স্বত্ব বা মালিকানা স্বত্বের স্বার্থ নির্দেশ করে এবং ব্যাংক ক্রেডিট, ট্রাভেলরস্ চেক, ব্যাংক চেক, মানি অর্ডার, শেয়ার, সিকিউরিটি, বন্ড, ড্রাফট বা ঋণপত্র এবং উক্ত তহবিল বা সম্পদ হইতে উদ্ভূত বা সৃষ্ট কোন মুনাফা, ডিভিডেন্ড বা অন্য কোন আয় বা মূল্য ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে, তবে উহাতে সীমাবদ্ধ করিবে না;]

[ (১৪ক) ‘সন্ত্রাসী ব্যক্তি’ অর্থ কোন স্বাভাবিক ব্যক্তি (natural person) যিনি ধারা ৬ (১), ১০, ১১, ১২ বা ১৩ এর অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করেন;

(১৪খ) ‘সন্ত্রাসী সত্তা’ অর্থ তফসিল-২ এ উল্লিখিত কোন সত্তা বা এই আইনের ধারা ৬(১), ১০, ১১, ১২ বা ১৩ এর অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করে এইরূপ কোন সত্তা;

(১৪গ) ‘সন্ত্রাসী সম্পত্তি’ অর্থ এইরূপ কোন সম্পত্তি যাহা-

(অ) এই আইনের অধীন কোন সন্ত্রাসী কার্য সংঘটন বা কোন বিদেশী রাষ্ট্রের আইনের অধীন অনুরূপ সমশ্রেণীর অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত হইয়াছে বা হইতেছে, বা হইবার অভিপ্রায় রহিয়াছে;

(আ) কোন সন্ত্রাসী কার্যের সহিত সম্পৃক্ত;

(ই) কোন সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উদ্ভূত বা অর্জিত;

(ঈ) সন্ত্রাসী কার্যের উদ্দেশ্যে অথবা কোন সন্ত্রাসী ব্যক্তি বা সন্ত্রাসী সত্তাকে সমর্থনের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করিবার অভিপ্রায়ে, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যে কোন উপায়ে সংগৃহীত হইয়াছে;

(উ) প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোন সন্ত্রাসী ব্যক্তি বা সন্ত্রাসী সত্তার মালিকানাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন এবং কোন সন্ত্রাসী ব্যক্তি বা সন্ত্রাসী সত্তার পক্ষে বা নির্দেশনা অনুসারে কাজ করে এইরূপ ব্যক্তি বা সত্তার সম্পত্তিসহ অনুরূপ ব্যক্তি ও সহযোগী ব্যক্তি বা সত্তার মালিকানাধীন বা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণাধীন সম্পত্তি হইতে উদ্ভূত বা সৃষ্ট তহবিল;

(১৪ঘ) ‘সমবায় সমিতি’ অর্থ সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ (২০০১ সনের ৪৭ নং আইন) এর অধীন অনুমোদিত ও নিবন্ধিত কোন প্রতিষ্ঠান;]

(১৫) "সাক্ষ্য আইন" অর্থ Evidence Act, 1872 (Act I of 1872) ।

[ (১৬) ‘সন্দেহজনক লেনদেন’ অর্থ এইরূপ লেনদেন—

(১) যাহা স্বাভাবিক লেনদেনের ধরণ হইতে ভিন্ন;

[ (২) যেই লেনদেন সম্পর্কে এইরূপ ধারণা হয় যে,-

(ক) উহা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ হইতে উদ্ভূত;

(খ) উহা কোন সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন বা কোন সন্ত্রাসী ব্যক্তি বা সন্ত্রাসী সত্তাকে অর্থায়নের সহিত সম্পর্কযুক্ত;]



(৩) যাহা এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক, সময়ে সময়ে, জারিকৃত নির্দেশনায় বর্ণিত অন্য কোন লেনদেন বা লেনদেনের প্রচেষ্টা;

(১৭) ‘সত্তা’ অর্থ কোন আইনী প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, বাণিজ্যিক বা অবাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, গোষ্ঠী, অংশীদারী কারবার, সমবায় সমিতিসহ এক বা একাধিক ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত যে কোন সংগঠন;

(১৮) ‘আর্থিক প্রতিষ্ঠান’ অর্থ আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ (১৯৯৩ সনের ২৭ নং আইন) এর ধারা ২(খ) এ সংজ্ঞায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান;

(১৯) ‘বীমাকারী’ অর্থ বীমা আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ১৩ নং আইন) এর ধারা ২(২৫) এ সংজ্ঞায়িত বীমাকারী;

(২০) ‘রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা’ অর্থ—

(অ) ব্যাংক;

(আ) আর্থিক প্রতিষ্ঠান;

(ই) বীমাকারী;

(ঈ) মানি চেঞ্জার;

(উ) অর্থ অথবা অর্থমূল্য প্রেরণকারী বা স্থানান্তরকারী যে কোন কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠান;

(ঊ) বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতিক্রমে ব্যবসা পরিচালনাকারী অন্য কোন প্রতিষ্ঠান;

(ঋ) (১) স্টক ডিলার ও স্টক ব্রোকার

(২) পোর্টফোলিও ম্যানেজার ও মার্চেন্ট ব্যাংকার

(৩) সিকিউরিটি কাস্টডিয়ান

(৪) সম্পদ ব্যবস্থাপক;

(এ) (১) অ-লাভজনক সংস্থা/প্রতিষ্ঠান (Non Profit Organisation)

(২) বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (Non Government Organisation) ও

(৩) সমবায় সমিতি;

(ঐ) রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার;

(ও) মূল্যবান ধাতু বা পাথরের ব্যবসায়ী;

(ঔ) ট্রাস্ট ও কোম্পানী সেবা প্রদানকারী;

(অঅ) আইনজীবী, নোটারী, অন্যান্য আইন পেশাজীবী এবং একাউন্টেন্ট;

(অআ) সরকারের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক, সময়ে সময়ে, বিজ্ঞপ্তি জারীর মাধ্যমে ঘোষিত অন্য কোন প্রতিষ্ঠান;

(২১) ‘মানি চেঞ্জার’ অর্থ Foreign Exchange Regulation Act, 1947 (Act No. VII of 1947) এর section 3 এর অধীন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান;

(২২) (অ) ‘স্টক ডিলার ও স্টক ব্রোকার’ অর্থ সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা, ২০০০ এর যথাক্রমে বিধি ২(ঝ) ও ২(ঞ) এ সংজ্ঞায়িত প্রতিষ্ঠান;

(আ) ‘পোর্টফোলিও ম্যানেজার ও মার্চেন্ট ব্যাংকার’ অর্থ সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার ) বিধিমালা, ১৯৯৬ এর যথাক্রমে বিধি ২(চ) ও ২(ঞ) এ সংজ্ঞায়িত প্রতিষ্ঠান;

(ই) ‘সিকিউরিটি কাস্টডিয়ান’ অর্থ সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (সিকিউরিটি কাস্টডিয়াল সেবা) বিধিমালা, ২০০৩ এর বিধি ২(ঞ) এ সংজ্ঞায়িত প্রতিষ্ঠান;

(ঈ) ‘সম্পদ ব্যবস্থাপক’ অর্থ সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচ্যুয়েল ফান্ড) বিধিমালা, ২০০১ এর বিধি ২(ধ) এ সংজ্ঞায়িত প্রতিষ্ঠান;

(২৩) ‘অ-লাভজনক সংস্থা/প্রতিষ্ঠান (Non Profit Organisation) ’ অর্থ কোম্পানী আইন (বাংলাদেশ), ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এর ধারা ২৮ এর অধীন সনদ প্রাপ্ত কোন প্রতিষ্ঠান;

(২৪) ‘বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (Non Government Organisation)’ অর্থ Societies Registration Act, 1860 (Act No. XXI of 1860), Voluntary Social Welfare Agencies (Registration and Control) Ordinance (Ordinance No. XLVI of 1961), Foreign Donations (Voluntary Activities) Regulation Ordinance, 1978 (Ordinance No. XLVI of 1978), Foreign Contributions (Regulation) Ordinance, 1982 (Ordinance No. XXXI of 1982) ১০[ ***] এবং মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩২ নং আইন) এর আওতায় অনুমোদিত বা নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান যাহা—

(ক) স্থানীয় উৎস হইতে তহবিল (ঋণ, অনুদান, আমানত) গ্রহণ করে বা অন্যকে প্রদান করে; এবং/অথবা

(খ) যে কোন ধরণের বৈদেশিক সাহায্য বা ঋণ বা অনুদান গ্রহণ করে;

(২৫) ‘বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) ’ অর্থ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ১১[ ২০১২] এর ধারা ২৪ (১) এর বিধান অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট;

(২৬) ‘বস্তুগত সহায়তা (material support)’ অর্থ কোন ব্যক্তি বা সত্তা কর্তৃক অন্য কোন ব্যক্তি বা সত্তাকে অর্থ, সেবা বা অন্য কোন সম্পত্তি সরবরাহ করা বা অন্য কোন সহায়তা করা যাহা দ্বারা এই আইনের আওতায় বর্ণিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পাদিত হইয়াছে বা সম্পাদিত হইতে পারে;

(২৭) ‘হাইকোর্ট বিভাগ’ অর্থ বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ;

(২৮) ‘রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার’ অর্থ রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৪৮ নং আইন) এর ধারা ২ (১৫) এ সংজ্ঞায়িত যে কোন রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার বা উহার কর্মকর্তা বা কর্মচারী অথবা এজেন্ট যাহারা জমি, বাসা বা বাড়ি, বাণিজ্যিক ভবন এবং ফ্লাটসহ ইত্যাদির নির্মাণ ও ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে জড়িত;

(২৯) ‘ট্রাস্ট ও কোম্পানী সেবা প্রদানকারী’ অর্থ কোন ব্যক্তি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যাহা অন্য কোন আইনে সংজ্ঞায়িত করা হয় নাই এবং যে বা যাহা কোন তৃতীয় পক্ষকে নিম্নরূপ সেবাসমূহ প্রদান করিয়া থাকেঃ

(১) কোন আইনী সত্তা প্রতিষ্ঠার এজেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন;

(২) কোন আইনী সত্তার পরিচালক, সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন বা অন্য কাহাকেও নিয়োগ করা বা অংশীদারী ব্যবসায়ে অংশীদার হিসাবে দায়িত্ব পালন অথবা সমপর্যায়ের অন্য কোন দায়িত্ব পালন;

(৩) কোন আইনী সত্তার নিবন্ধিত এজেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন;

(৪) কোন এক্সপ্রেস ট্রাস্টের ট্রাস্টি হিসাবে দায়িত্ব পালন বা অন্য কাহাকে নিয়োগ করা;

(৫) নমিনি শেয়ার হোল্ডার বা অন্য কোন ব্যক্তির পরিবর্তে পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন বা অন্য ব্যক্তিকে নিয়োগ প্রদান;

(৩০) ‘জননিরাপত্তা’ অর্থ যে কোন ব্যক্তি বা ১২[ জনগোষ্ঠীর] জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা বিধান।]
   
   
 
অন্যান্য শব্দ ও অভিব্যক্তির প্রযোজ্যতা  
৩।(১) এই আইনে ব্যবহৃত যে সকল শব্দ বা অভিব্যক্তির সংজ্ঞা এই আইনে দেওয়া হয় নাই, সেই সকল শব্দ বা অভিব্যক্তি ফৌজদারী কার্যবিধি ১৩[ ,মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন] বা, ক্ষেত্রমত, দণ্ডবিধিতে যে অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে সেই অর্থে প্রযোজ্য হইবে।

(২) অপরাধ ও শাস্তির দায়-দায়িত্ব সংক্রান্ত দণ্ডবিধির সাধারণ বিধানাবলী, যতদূর সম্ভব, এই আইনের অন্যান্য বিধানের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ না হইলে, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
   
   
 
আইনের প্রাধান্য  
৪। ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর থাকিবে।
   
   
 
অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগ  
১৪[ ৫। (১) যদি কোন ব্যক্তি বা সত্তা বাংলাদেশের বাহির হইতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কোন অপরাধ সংঘটন করে যাহা উক্ত ব্যক্তি বা সত্তা কর্তৃক বাংলাদেশের অভ্যন্তর হইতে সংঘটিত হইলে এই আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য হইত, তাহা হইলে উক্ত অপরাধ বাংলাদেশে সংঘটিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত ব্যক্তি বা সত্তা ও অপরাধের ক্ষেত্রে এই আইনের বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।

(২) যদি কোন ব্যক্তি বা সত্তা বাংলাদেশের অভ্যন্তর হইতে বাংলাদেশের বাহিরে কোন অপরাধ সংঘটন করে, যাহা বাংলাদেশে সংঘটিত হইলে এই আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য হইত, তাহা হইলে উক্ত অপরাধ বাংলাদেশে সংঘটিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত ব্যক্তি বা সত্তা ও অপরাধের ক্ষেত্রে এই আইনের বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।]

১৫[ (৩) যদি কোন ব্যক্তি কোন বিদেশী রাষ্ট্রে অপরাধ সংঘটন করিয়া বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণ করে, যাহা বাংলাদেশে সংঘটিত হইলে এই আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য হইত, তাহা হইলে উক্ত অপরাধ বাংলাদেশে সংঘটিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং যদি তাহাকে উক্ত অপরাধ বিচারের এখতিয়ার সম্পন্ন কোন বিদেশী রাষ্ট্রে বহিসমর্পণ করা না যায়, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি ও অপরাধের ক্ষেত্রে এই আইনের বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।]
   
   
দ্বিতীয় অধ্যায়
অপরাধ ও দণ্ড
 
সন্ত্রাসী কার্য  
১৬[ ৬। (১) যদি কোন ব্যক্তি, সত্তা বা বিদেশী নাগরিক-

(ক) বাংলাদেশের অখণ্ডতা, সংহতি, জননিরাপত্তা বা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করিবার জন্য জনসাধারণ বা জনসাধারণের কোন অংশের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির মাধ্যমে সরকার বা কোন সত্তা বা কোন ব্যক্তিকে কোন কার্য করিতে বা করা হইতে বিরত রাখিতে বাধ্য করিবার উদ্দেশ্যে-

(অ) অন্য কোন ব্যক্তিকে হত্যা, গুরুতর আঘাত, আটক বা অপহরণ করে বা করিবার প্রচেষ্টা গ্রহণ করে; অথবা

(আ) অন্য কোন ব্যক্তিকে হত্যা, গুরুতর জখম, আটক বা অপহরণ করার জন্য অপর কোন ব্যক্তিকে ষড়যন্ত্র বা সহায়তা বা প্ররোচিত করে; অথবা

(ই) অন্য কোন ব্যক্তি, সত্তা বা প্রজাতন্ত্রের কোন সম্পত্তির ক্ষতি সাধন করে বা করিবার প্রচেষ্টা গ্রহণ করে; অথবা

(ঈ) অন্য কোন ব্যক্তি, সত্তা বা প্রজাতন্ত্রের কোন সম্পত্তির ক্ষতি সাধন করিবার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র বা সহায়তা বা প্ররোচিত করে; অথবা

(উ) উপ-দফা (অ), (আ), (ই) বা (ঈ) এর উদ্দেশ্য সাধনকল্পে কোন বিস্ফোরক দ্রব্য, দাহ্য পদার্থ ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে বা নিজ দখলে রাখে;

(খ) অন্য কোন রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত বা উহার সম্পত্তি বিনষ্ট করিবার অভিপ্রায়ে দফা (ক) এর উপ-দফা (অ), (আ), (ই), (ঈ) বা (উ) এর অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করে বা সংঘটনের প্রচেষ্টা করে বা উক্তরূপ অপরাধ সংঘটনের জন্য প্ররোচিত, ষড়যন্ত্র বা সহায়তা করে;

(গ) কোন আন্তর্জাতিক সংস্থাকে কোন কার্য করিতে বা করা হইতে বিরত রাখিবার জন্য দফা (ক) এর উপ-দফা (অ), (আ), (ই), (ঈ) বা (উ) এর অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করে বা সংঘটনের উদ্যোগ গ্রহণ করে বা উক্তরূপ অপরাধ সংঘটনের জন্য প্ররোচিত, ষড়যন্ত্র বা সহায়তা করে;

(ঘ) জ্ঞাতসারে কোন সন্ত্রাসী সম্পত্তি ব্যবহার করে বা অধিকারে রাখে;

(ঙ) এই আইনের তফসিল-১ এ অন্তর্ভুক্ত জাতিসংঘ কনভেনশনে বর্ণিত কোন অপরাধ করিতে সহায়তা, প্ররোচিত বা ষড়যন্ত্র করে বা সংঘটন করে বা সংঘটন করিবার প্রচেষ্টা করে;

(চ) কোন সশস্ত্র সংঘাতময় দ্বন্দ্বের বৈরি পরিস্থিতিতে (hostilities in a situation of armed conflict) সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন নাই এইরূপ কোন বেসামরিক, কিংবা অন্য কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইবার বা মারাত্মক শারীরিক জখম ঘটাইবার অভিপ্রায়ে এইরূপ কোন কার্য করে, যাহার উদ্দেশ্য, উহার প্রকৃতিগত বা ব্যাপ্তির কারণে, কোন জনগোষ্ঠীকে ভীতি প্রদর্শন বা অন্য কোন সরকার বা রাষ্ট্র বা কোন আন্তর্জাতিক সংস্থাকে কোন কার্য করিতে বা কোন কার্য করা হইতে বিরত থাকিতে বাধ্য করে;

তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা বিদেশী নাগরিক ‘‘সন্ত্রাসী কার্য’’ সংঘটনের অপরাধ করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) যদি কোন ব্যক্তি বা বিদেশী নাগরিক উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) এর-

(অ) উপ-দফা (অ) এর অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করেন তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং উহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ড আরোপ করা যাইবে;

(আ) উপ-দফা (আ) এর অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করেন তাহা হইলে উক্ত অপরাধের নির্ধারিত শাস্তি যদি মৃত্যুদণ্ড হয় সেইক্ষেত্রে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর ও অন্যূন ৪ (চার) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন;

(ই) উপ-দফা (ই) এর অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করেন তাহা হইলে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর ও অন্যূন ৪ (চার) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন;

(ঈ) উপ-দফা (ঈ) এর অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করেন তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর ও অন্যূন ৪ (চার) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন;

(উ) উপ-দফা (উ) এর অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করেন তাহা হইলে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর ও অন্যূন ৪ (চার) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৩) যদি কোন ব্যক্তি বা বিদেশী নাগরিক উপ-ধারা (১) এর দফা (খ), (গ), (ঘ), (ঙ) বা (চ) এর অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করেন তাহা হইলে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর ও অন্যূন ৪ (চার) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৪) যদি কোন সত্তা সন্ত্রাসী কার্য সংঘটন করে, তাহা হইলে-

(ক) উক্ত সত্তার বিরুদ্ধে ধারা ১৮ অনুসারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাইবে এবং উহার অতিরিক্ত উক্ত অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের তিনগুণ পরিমাণ অর্থ বা ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক, অর্থদণ্ড আরোপ করা যাইবে; এবং

(খ) উক্ত সত্তার প্রধান, তিনি চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান নির্বাহী বা অন্য যে কোন নামে অভিহিত হউক না কেন, অনূর্ধ্ব ২০ (বিশ) বৎসর ও অন্যূন ৪ (চার) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং উহার অতিরিক্ত উক্ত অপরাধের সহিত সম্পৃক্ত সম্পত্তির মূল্যের দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ বা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক, অর্থদণ্ড আরোপ করা যাইবে, যদি না তিনি প্রমাণ করিতে সমর্থ হন যে, উক্তরূপ অপরাধ তাহার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হইয়াছিল বা উহার সংঘটন নিবৃত্ত করিবার জন্য তিনি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করিয়াছিলেন।]
   
   
 
সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন সংক্রান্ত অপরাধ  
১৭[ ৭। (১) যদি কোন ব্যক্তি বা সত্তা স্বেচ্ছায়, বৈধ বা অবৈধ উৎস হইতে, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যে কোনভাবে এই অভিপ্রায়ে অর্থ, সেবা বা অন্য যে কোন সম্পত্তি সরবরাহ, গ্রহণ, সংগ্রহ বা উহার এইরূপ ব্যবস্থা করে যে, উহার সম্পূর্ণ বা অংশবিশেষ-

(ক) সন্ত্রাসী কার্য পরিচালনায় ব্যবহৃত হইবে; বা

(খ) সন্ত্রাসী ব্যক্তি বা সন্ত্রাসী সত্তা কর্তৃক যে কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হইবে, অথবা ব্যবহৃত হইতে পারে মর্মে জ্ঞাত থাকে;

তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়নের অপরাধ সংঘটন করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন সংক্রান্ত অপরাধে দোষী সাব্যস্তকরণের ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অর্থ, সেবা বা অন্য যে কোন সম্পত্তি প্রকৃতই কোন সন্ত্রাসী কার্য সম্পাদনের বা পরিচালনার ক্ষেত্রে বা সন্ত্রাসী কার্য সম্পাদনের প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হইয়াছে কিনা বা কোন সুনির্দিষ্ট সন্ত্রাসী কার্যের সহিত সম্পর্কযুক্ত ছিল কিনা, উহার উপর নির্ভর করিবে না।

(৩) যদি কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ২০ (বিশ) বৎসর ও অন্যূন ৪ (চার) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন, এবং উহার অতিরিক্ত উক্ত অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক, অর্থদণ্ড আরোপ করা যাইবে।

(৪) যদি কোন সত্তা উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহা হইলে-

(ক) উক্ত সত্তার বিরুদ্ধে ধারা ১৮ অনুসারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাইবে এবং উহার অতিরিক্ত উক্ত অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের তিনগুণ পরিমাণ অর্থ বা ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক, অর্থদণ্ড আরোপ করা যাইবে; এবং

(খ) উক্ত সত্তার প্রধান, তিনি চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান নির্বাহী বা অন্য যে কোন নামে অভিহিত হউক না কেন, অনূর্ধ্ব ২০ (বিশ) বৎসর ও অন্যূন ৪ (চার) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং উহার অতিরিক্ত উক্ত অপরাধের সহিত সম্পৃক্ত সম্পত্তির মূল্যের দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ বা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক, অর্থদণ্ড আরোপ করা যাইবে, যদি না তিনি প্রমাণ করিতে সমর্থ হন যে, উক্তরূপ অপরাধ তাহার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হইয়াছিল বা উহার সংঘটন নিবৃত্ত করিবার জন্য তিনি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করিয়াছিলেন।]
   
   
 
নিষিদ্ধ ১৮[ সত্তার] সদস্যপদ  
৮। যদি কোন ব্যক্তি ধারা ১৮ এর অধীন কোন নিষিদ্ধ ১৯[ সত্তার] সদস্য হন বা সদস্য বলিয়া দাবী করেন, তাহা হইলে তিনি অপরাধ সংঘটন করিবেন এবং উক্তরূপ অপরাধ সংঘটনের জন্য তিনি অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
   
   
 
নিষিদ্ধ ২০[ সত্তা] সমর্থন  
৯। (১) যদি কোন ব্যক্তি ধারা ১৮ এর অধীন কোন নিষিদ্ধ ২১[ সত্তাকে] সমর্থন করিবার উদ্দেশ্যে কাহাকেও অনুরোধ বা আহ্বান করেন, অথবা নিষিদ্ধ ২২[ সত্তাকে] সমর্থন বা উহার কর্মকাণ্ডকে গতিশীল ও উৎসাহিত করিবার উদ্দেশ্যে কোন সভা আয়োজন, পরিচালনা বা পরিচালনায় সহায়তা করেন, অথবা বক্তৃতা প্রদান করেন, তাহা হইলে তিনি অপরাধ সংঘটন করিবেন।

(২) যদি কোন ব্যক্তি কোন নিষিদ্ধ ২৩[ সত্তার] জন্য সমর্থন চাহিয়া অথবা উহার কর্মকাণ্ডকে সক্রিয় করিবার উদ্দেশ্যে কোন সভায় বক্তৃতা করেন অথবা রেডিও, টেলিভিশন অথবা কোন মুদ্রণ বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে কোন তথ্য সম্প্রচার করেন, তাহা হইলে তিনি অপরাধ সংঘটন করিবেন।

(৩) যদি কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) অথবা (২) এর অধীন কোন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন, তাহা হইলে তিনি অনধিক সাত বৎসর ও অন্যূন দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ড ও আরোপ করা যাইবে।
   
   
 
অপরাধ সংঘটনে ষড়যন্ত্রের (criminal conspiracy) শাস্তি  
১০। যদি কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র করেন, তাহা হইলে ২৪[ তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং] তিনি উক্ত অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ শাস্তির দুই তৃতীয়াংশ মেয়াদের যে কোন কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন; এবং যদি উক্ত অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হয়, তাহা হইলে অপরাধের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনূর্ধ্ব চৌদ্দ বৎসরের কারাদণ্ড হইবে, কিন্তু উহা ২৫[ ৪ (চার)] বৎসরের কম হইবে না।
   
   
 
অপরাধ সংঘটনের প্রচেষ্টার (attempt) শাস্তি  
২৬[ ১১। যদি কোন ব্যক্তি বা সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের প্রচেষ্টা করে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি বা সত্তা অপরাধ সংঘটন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত ব্যক্তি বা উক্ত সত্তার প্রধান, তিনি চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান নির্বাহী বা অন্য যে কোন নামে অভিহিত হউক না কেন, উক্ত অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ শাস্তির দুই-তৃতীয়াংশ মেয়াদের যে কোন কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন, এবং যদি উক্ত অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হয়, তাহা হইলে উক্ত অপরাধের শাস্তি হইবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনূর্ধ্ব ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর ও অন্যূন ৪ (চার) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড, এবং উহার অতিরিক্ত সংশ্লিষ্ট সত্তার বিরুদ্ধে ধারা ১৮ অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।]
   
   
 
অপরাধ সংঘটনে সাহায্য ও সহায়তার (aid and abetment) শাস্তি  
২৭[ ১২। যদি কোন ব্যক্তি বা সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনে-

(ক) সাহায্য বা সহায়তা করে; বা

(খ) সহায়তাকারী হিসাবে (as an accomplice) অংশগ্রহণ করে; বা

(গ) অন্যদেরকে সংগঠিত বা পরিচালনা করে; বা

(ঘ) অবদান রাখে;

তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি বা সত্তা অপরাধ সংঘটন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত ব্যক্তি বা উক্ত সত্তার প্রধান, তিনি চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান নির্বাহী বা অন্য যে কোন নামে অভিহিত হউক না কেন, উক্ত অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ শাস্তির দুই-তৃতীয়াংশ মেয়াদের যে কোন কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন; এবং যদি উক্ত অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হয়, তাহা হইলে উক্ত অপরাধের শাস্তি হইবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনূর্ধ্ব ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর ও অন্যূন ৪ (চার) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড, এবং উহার অতিরিক্ত সংশ্লিষ্ট সত্তার বিরুদ্ধে ধারা ১৮ অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।]
   
   
 
সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্ররোচিত (instigation) করিবার শাস্তি  
১৩। যদি কোন ব্যক্তি তাহার ২৮[ ***] কর্মকাণ্ড অথবা অংশ গ্রহণের মাধ্যমে কোন দলিল প্রস্তুত বা বিতরণ করেন, অথবা কোন মুদ্রণ বা ইলেকট্রনিক ২৯[ বা অন্য যে কোন] মাধ্যমে কোন তথ্য সম্প্রচার করিয়া, অথবা কোন সরঞ্জাম, সহায়তা বা প্রযুক্তি বা প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা ৩০[ সত্তাকে] এইরূপ অবগত থাকিয়া সহায়তা প্রদান করেন যে, উক্ত দলিল, সরঞ্জাম, সহায়তা বা প্রযুক্তি বা প্রশিক্ষণ এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের কাজে ব্যবহৃত হইবে বা উক্ত ব্যক্তি বা ৩১[ সত্তা] উহাদের অনুরূপ অপরাধ সংগঠনের প্রচেষ্টায় ব্যবহার করিবে, তাহা হইলে তিনি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্ররোচিত করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন; এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ শাস্তির দুই তৃতীয়াংশ মেয়াদের কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে তাহাকে দণ্ডিত করা যাইবে; এবং যদি উক্ত অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হয়, তাহা হইলে অপরাধের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনূর্ধ্ব চৌদ্দ বৎসরের কারাদণ্ড হইবে, কিন্তু উহা ৩২[ ৪ (চার)] বৎসরের কম হইবে না।
   
   
 
৩৩[ অপরাধীকে আশ্রয় প্রদানের শাস্তি]  
১৪। (১) যদি কোন ব্যক্তি, অন্য কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটন করিয়াছেন জানিয়াও বা উক্ত ব্যক্তি অপরাধী ইহা বিশ্বাস করিবার যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকা সত্ত্বেও, শাস্তি হইতে রক্ষা করিবার অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তিকে আশ্রয়দান করেন বা লুকাইয়া রাখেন তাহা হইলে তিনি-

(ক) উক্ত অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হইলে, অনধিক পাঁচ বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন, এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডও আরোপ করা যাইবে; অথবা

(খ) উক্ত অপরাধের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড হইলে, অনধিক তিন বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন, এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডও আরোপ করা যাইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন আশ্রয়দান বা লুকাইয়া রাখিবার অপরাধ স্বামী, স্ত্রী, পুত্র, কন্যা, পিতা বা মাতা কর্তৃক হইলে, এই ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে না।

৩৪[ (৩) যেক্ষেত্রে কোন সত্তা কর্তৃক আশ্রয় প্রদানের অপরাধ সংঘটিত হয়, সেইক্ষেত্রে উহার প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালনকারী চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান নির্বাহী বা অন্য কোন নামের পদধারীর প্রতি উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে, যদি না তিনি প্রমাণ করিতে সমর্থ হন যে, উক্তরূপ অপরাধ তাহার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হইয়াছিল বা উহার সংঘটন নিবৃত্ত করিবার জন্য তিনি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করিয়াছিলেন।]
   
   
তৃতীয় অধ্যায়
বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা
 
বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা  
৩৫[ ১৫। (১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার মাধ্যমে লেনদেন প্রতিরোধ ও সনাক্ত করিতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে পারিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে উহার নিম্নবর্ণিত ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব থাকিবে, যথা:-


(ক) কোন রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা হইতে সন্দেহজনক লেনদেন সম্পর্কিত প্রতিবেদন তলব করা, উহা বিশ্লেষণ বা পুনরীক্ষণ করা এবং বিশ্লেষণ বা পুনরীক্ষণের উদ্দেশ্যে উহার সহিত সম্পর্কিত অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহ করা এবং উহার রের্কড বা ড্যাটাবেজ সংরক্ষণ করা এবং, ক্ষেত্রমত, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে উক্ত তথ্য সরবরাহ বা রিপোর্ট প্রদান করা;

(খ) কোন লেনদেন সন্ত্রাসী কার্যের সহিত সম্পৃক্ত মর্মে সন্দেহ করিবার যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকিলে, সংশ্লিষ্ট রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাকে উক্ত লেনদেনের হিসাব অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের জন্য স্থগিত বা অবরুদ্ধ রাখিবার উদ্দেশ্যে লিখিত আদেশ জারি করা এবং এইরূপে উক্ত হিসাবের লেনদেন সম্পর্কিত সঠিক তথ্য উদ্‌ঘাটনের প্রয়োজন দেখা দিলে লেনদেন স্থগিত বা অবরুদ্ধ রাখিবার মেয়াদ অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) দিন করিয়া সর্বোচ্চ ৬ (ছয়) মাস বর্ধিত করা;

(গ) রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার কার্যক্রম পরিবীক্ষণ ও তদারক করা;

(ঘ) সন্ত্রাসী কার্যে এবং ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্রের (weapons of mass destruction, WMD) বিস্তারে অর্থ যোগান প্রতিহত করিবার উদ্দেশ্যে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণে রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাসমূহকে নির্দেশ প্রদান করা;

(ঙ) রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা কর্তৃক নির্দেশ প্রতিপালন পর্যবেক্ষণ করা এবং এই আইনের যে কোন উদ্দেশ্য পূরণকল্পে রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাসমূহকে সরেজমিনে পরিদর্শন করা; এবং

(চ) সন্দেহজনক লেনদেন সনাক্ত ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাসমূহের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।

(২) বাংলাদেশ ব্যাংক, সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়নের সহিত সম্পৃক্ত সন্দেহজনক কোন লেনদেনের বিষয়ে কোন রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা বা উহার গ্রাহককে সনাক্ত করিবার সঙ্গে সঙ্গে, উহা পুলিশ বা যথাযথ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অবহিত করিবে, এবং অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যে পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে প্রয়োজনীয় সকল প্রকার সহযোগিতা প্রদান করিবে।

(৩) অপরাধটি যদি অন্য কোন রাষ্ট্রে সংঘটিত হয় বা অন্য কোন রাষ্ট্রে বিচারাধীন থাকে, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত বিদেশী রাষ্ট্রের অনুরোধের প্রেক্ষিতে বা কোন আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক বা দ্বিপাক্ষিক চুক্তি, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুসমর্থিত জাতিসংঘের কনভেনশন বা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক গৃহীত সংশ্লিষ্ট রেজুলেশনের আওতায় কোন ব্যক্তি বা সত্তার হিসাব জব্দ করিবার উদ্যোগ গ্রহণ করিবে।

(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন জব্দকৃত অর্থ সংশ্লিষ্ট আদালত কর্তৃক বা সংশ্লিষ্ট চুক্তি, কনভেনশন বা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক গৃহীত রেজুলেশনের আওতায় নিষ্পত্তিযোগ্য হইবে।

(৫) এই আইনের অধীন বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা ও দায়-দায়িত্ব বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বি,এফ,আই,ইউ) কর্তৃক প্রয়োগ ও সম্পাদিত হইবে এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এই আইনের অধীন কোন তথ্য সরবরাহের অনুরোধ করিলে, সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা উহাকে তাহা সরবরাহ করিবে অথবা, ক্ষেত্রমত, স্বপ্রণোদিত হইয়া তথ্য সরবরাহ করিবে।

(৬) বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, অনুরোধের প্রেক্ষিতে বা, ক্ষেত্রমত, স্বপ্রণোদিত হইয়া সন্ত্রাসী কার্য বা সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন সম্পৃক্ত তথ্যাদি অন্য দেশের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা অন্য কোন রাষ্ট্রের অনুরূপ কর্তৃপক্ষকে (counter part) সরবরাহ করিবে।

(৭) সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়নের বিষয়ে তদন্তের স্বার্থে কোন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কর্তৃক কোন ব্যাংকের দলিল বা কোন নথিতে নিম্নবর্ণিত শর্তে প্রবেশাধিকার থাকিবে, যথা:-

(ক) উপযুক্ত আদালত বা বিশেষ ট্রাইব্যুনালের আদেশক্রমে;

অথবা

(খ) বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে।

(৮) যদি কোন রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা এই ধারার অধীন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারিকৃত নির্দেশনা প্রতিপালনে ব্যর্থ হয় অথবা জ্ঞাতসারে কোন ভুল বা মিথ্যা তথ্য বা বিবরণী সরবরাহ করে, তাহা হইলে উক্ত রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত ও নির্দেশিত অনূর্ধ্ব ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকা জরিমানা পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত সংস্থা বা সংস্থার কোন শাখা, সেবাকেন্দ্র, বুথ বা এজেন্টের বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ করিবার উদ্দেশ্যে উহার নিবন্ধন বা লাইসেন্স স্থগিত করিতে পারিবে অথবা, ক্ষেত্রমত, উক্ত সংস্থার বিরুদ্ধে যথাযথ কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নিবন্ধনকারী বা লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করিবে।

(৯) যদি কোন রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক উপ-ধারা (৮) অনুসারে আরোপিত জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হয় বা পরিশোধ না করে, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার নিকট হইতে উক্ত জরিমানার অর্থ উক্ত সংস্থা কর্তৃক অন্য কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা বাংলাদেশ ব্যাংকে পরিচালিত হিসাব বিকলনপূর্বক আদায় করিতে পারিবে এবং জরিমানার কোন অংশ অনাদায়ী বা অপরিশোধিত থাকিলে, বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রয়োজনে, উহা আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করিতে পারিবে।]
   
   
 
রিপোর্ট প্রদানকারীর সংস্থার দায়িত্ব  
৩৬[ ১৬।(১) কোন রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার মাধ্যমে এই আইনের অধীন কোন অপরাধের সহিত জড়িত অর্থ লেনদেন প্রতিরোধ ও সনাক্ত করিবার লক্ষ্যে প্রত্যেক রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা যথাযথ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সহিত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে এবং কোন সন্দেহজনক লেনদেন চিহ্নিত হইলে স্বপ্রণোদিত হইয়া কোন প্রকার বিলম্ব ব্যতিরেকে বাংলাদেশ ব্যাংককে রিপোর্ট করিবে।

(২) প্রত্যেক রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার পরিচালনা পরিষদ (Board of Directors) বা পরিচালনা পরিষদের অনুপস্থিতিতে প্রধান নির্বাহী, বা অন্য যে নামে ডাকা হউক না কেন, উহার কর্মকর্তাদের দায়িত্ব সম্পর্কিত নির্দেশনা অনুমোদন ও জারী করিবে, এবং ধারা ১৫ এর অধীন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারীকৃত নির্দেশনা, যাহা রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাসমূহের জন্য প্রযোজ্য, প্রতিপালন করা হইতেছে কিনা উহা নিশ্চিত করিবে।

৩৭[ (৩) কোন রির্পোট প্রদানকারী সংস্থা উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রতিপালনে ব্যর্থ হইলে, উক্ত রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত ও নির্দেশিত অনধিক ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকা জরিমানা পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত সংস্থা বা সংস্থার কোন শাখা, সেবাকেন্দ্র, বুথ বা এজেন্টের বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ করিবার উদ্দেশ্যে নিবন্ধন বা লাইসেন্স স্থগিত করিতে পারিবে অথবা ক্ষেত্রমত, নিবন্ধনকারী বা লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে উক্ত সংস্থা বা সংস্থার কোন শাখা, সেবাকেন্দ্র, বুথ বা এজেন্টের বিরূদ্ধে যথাযথ কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করিবে।

(৪) যদি কোন রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার পরিচালনা পরিষদ বা, পরিচালনা পরিষদ না থাকিলে, উহার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, যে নামেই অভিহিত হউক, উপ-ধারা (২) এর বিধান প্রতিপালনে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান বা, ক্ষেত্রমত, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত ও নির্দেশিত অনধিক ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকা জরিমানা পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিবেন এবং বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত ব্যক্তিকে তাহার পদ হইতে অপসারণ করিতে পারিবে বা, ক্ষেত্রমত, উক্ত ব্যক্তির বিরূদ্ধে যথাযথ কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করিবে।

(৫) যদি কোন রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা উপ-ধারা (৩) এর অধীন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক আরোপিত জরিমানা পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হয় বা পরিশোধ না করে, অথবা যদি পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান, বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, যে নামেই অভিহিত হউক, উপ-ধারা (৪) এর অধীন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক আরোপিত জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হন বা পরিশোধ না করেন, তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার নিকট হইতে জরিমানার অর্থ আদায় করিতে পারিবে বা উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক কোন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা বাংলাদেশ ব্যাংকে পরিচালিত তাহার হিসাব বিকলনপূর্বক আদায় করিতে পারিবে এবং উক্ত জরিমানার কোন অংশ অনাদায়ী থাকিলে বা অপরিশোধিত থাকিলে, উহা আদায়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রয়োজনে, সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করিতে পারিবে।]]
   
   
চতুর্থ অধ্যায়
নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তালিকাভুক্তকরণ এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন বাস্তবায়ন
 
সন্ত্রাসী কার্যের সহিত জড়িত ব্যক্তি বা সত্তা  
৩৮[ ১৭। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কোন ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কার্যের সহিত জড়িত বলিয়া গণ্য হইবে, যদি সেই ব্যক্তি বা উহা -

(ক) সন্ত্রাসী কার্য সংঘটিত করে বা উক্ত কার্যে অংশগ্রহণ করে;

(খ) সন্ত্রাসী কার্যের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে;

(গ) সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনে সাহায্য বা উৎসাহ প্রদান করে;

(ঘ) সন্ত্রাসী কার্যের সহিত জড়িত কোন সত্তাকে সমর্থন ও সহায়তা প্রদান করে;

(ঙ) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন নং ১৩৭৩ (UNSCR 1373) এ উল্লিখিত নিম্নবর্ণিত তালিকাভুক্তি বা নিষিদ্ধের মানদণ্ডের (listing criteria) আওতাভুক্ত হয়, যথা:-

(১) যদি কোন ব্যক্তি বা সত্তা কোন সন্ত্রাসী কার্য করে বা প্রচেষ্টা গ্রহণ করে বা অংশগ্রহণ করে বা সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনে সহযোগিতা করে;

(২) তালিকাভূক্ত বা নিষিদ্ধ ঘোষিত যে কোন ব্যক্তি বা সত্তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মালিকানাধীন বা নিয়ন্ত্রানাধীন কোন সত্তা;

(৩) তালিকাভূক্ত বা নিষিদ্ধ ঘোষিত যে কোন ব্যক্তি বা সত্তার পক্ষে বা নির্দেশে কাজ করে এইরূপ অন্য কোন ব্যক্তি বা সত্তা।

(চ) কোন সন্ত্রাসী ব্যক্তিকে আশ্রয় প্রদান করে; অথবা

(ছ) অন্য কোনভাবে সন্ত্রাসী কার্যের সহিত জড়িত হয়।]
   
   
 
নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তালিকাভুক্তকরণ  
৩৯[ ১৮। (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, কোন ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কার্যের সহিত জড়িত রহিয়াছে মর্মে যুক্তিসঙ্গত কারণের ভিত্তিতে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করিতে পারিবে বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে তালিকাভুক্ত করিতে পারিবে।

(২) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে কোন ব্যক্তি বা সত্তাকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করিতে বা তফসিল হইতে বাদ দিতে পারিবে অথবা অন্য কোনভাবে তফসিল সংশোধন করিতে পারিবে।]
   
   
 
পুনঃনিরীক্ষা (Review)  
১৯। (১) ধারা ১৮ এর অধীন সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ ৪০[ ব্যক্তি বা সত্তা], আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে, উহার বিরুদ্ধে লিখিতভাবে, যুক্তি উপস্থাপনপূর্বক, সরকারের নিকট পুনঃনিরীক্ষার জন্য আবেদন করিতে পারিবে এবং সরকার, আবেদনকারীর শুনানী গ্রহণপূর্বক ৪১[ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি মোতাবেক] , আবেদন প্রাপ্তির তারিখ হইতে নব্বই দিবসের মধ্যে উহা নিষ্পন্ন করিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন পুনঃনিরীক্ষার আবেদন নামঞ্জুর করা হইলে, উক্ত সংক্ষুব্ধ ৪২[ ব্যক্তি বা সত্তা] আবেদন নামঞ্জুর হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল দায়ের করিতে পারিবে।

(৩) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উপ-ধারা (১) এর অধীন দায়েরকৃত পুনঃনিরীক্ষার দরখাস্তসমূহ নিষ্পত্তির জন্য একটি তিন সদস্য বিশিষ্ট পুনঃনিরীক্ষা কমিটি (Review Committee) গঠন করিবে।
   
   
 
তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা নিষিদ্ধ সত্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ  
৪৩[ ২০। (১) যদি কোন ব্যক্তিকে ধারা ১৮ এর বিধান অনুসারে তালিকাভুক্ত করা হয় বা কোন সত্তাকে নিষিদ্ধ করা হয়, তাহা হইলে, এই আইনে বর্ণিত অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়াও সরকার, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, নিম্নবর্ণিত যে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে, যথা:-

(ক) উক্ত সত্তার কার্যালয়, যদি থাকে, বন্ধ করিয়া দিবে;

(খ) ব্যাংক এবং অন্যান্য হিসাব, যদি থাকে, অবরুদ্ধ করিবে, এবং উহার সকল সম্পত্তি জব্দ বা আটক করিবে;

(গ) নিষিদ্ধ সত্তার সদস্যদের দেশ ত্যাগে বাধা নিষেধ আরোপ করিবে;

(ঘ) সকল প্রকার প্রচারপত্র, পোস্টার, ব্যানার অথবা মুদ্রিত, ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল বা অন্যান্য উপকরণ বাজেয়াপ্ত করিবে; এবং

(ঙ) নিষিদ্ধ সত্তা কর্তৃক বা উহার পক্ষে বা সমর্থনে যে কোন প্রেস বিবৃতির প্রকাশনা, মুদ্রণ বা প্রচারণা, সংবাদ সম্মেলন বা জনসম্মুখে বক্তৃতা প্রদান নিষিদ্ধ করিবে।

(২) নিষিদ্ধ সত্তা উহার আয় ও ব্যয়ের হিসাব এতদুদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক মনোনীত উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিবে এবং আয়ের সকল উৎস প্রকাশ করিবে।

(৩) যদি প্রতীয়মান হয় যে, তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা নিষিদ্ধ সংঘটনের সম্পত্তি অবৈধভাবে অর্জিত হইয়াছে অথবা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত হইয়াছে, তাহা হইলে উক্ত সম্পত্তি আদালত কর্তৃক রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হইবে]
   
   
 
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন বাস্তবায়নে পদক্ষেপ  
৪৪[ ২০ক। (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন নং ১২৬৭ এবং উহার অনুবর্তী রেজুলেশনসমূহ ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন নং ১৩৭৩ এবং ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্রের বিস্তার ও উহাতে অর্থ সংস্থান প্রতিরোধ, দমন এবং ব্যাহতকরণ সম্পর্কিত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশনসমূহ বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে, বাংলাদেশ সরকারের এই আইনের অন্যান্য ধারা অথবা আপাতত বলবৎ অন্যান্য আইনে উল্লিখিত ক্ষমতার অতিরিক্ত হিসাবে নিম্নবর্ণিত ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করিবার ক্ষমতা থাকিবে:

(ক) তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা সত্তা কর্তৃক অথবা তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা সত্তার মালিকানাধীন বা উক্ত ব্যক্তি বা সত্তা কর্তৃক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রিত কোন সংস্থা কর্তৃক অথবা, যদি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১২৬৭ নং রেজুলেশনের অধীন সংকলিত তালিকায় কোন স্বাভাবিক ব্যক্তি (natural person) বা সত্তার নাম অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাহা হইলে উক্ত স্বাভাবিক ব্যক্তি বা সত্তার পক্ষে, ধারণকৃত সম্পত্তি, তহবিল বা অন্যান্য আর্থিক পরিসম্পদ বা আর্থিক উৎসসহ উহা হইতে উদ্ভূত বা সৃষ্ট তহবিল, পূর্ব নোটিশ ব্যতীত, অনতিবিলম্বে অবরুদ্ধ, জব্দ বা ক্রোক করিবে;

(খ) সন্ত্রাসী কার্য সংঘটন বা সংঘটনের প্রচেষ্টাকারী বা সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনে অংশগ্রহণ বা সুযোগ সৃষ্টিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্তরূপ ব্যক্তির মালিকানাধীন বা তৎকর্তৃক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রিত সত্তার অথবা উক্তরূপ ব্যক্তি বা সত্তার পক্ষে বা নির্দেশনা অনুসারে কার্য সম্পাদনকারী ব্যক্তি বা সত্তার অথবা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক তালিকাভুক্ত বা ১৩৭৩ নং রেজুলেশনের অধীন নিষিদ্ধ বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তির এবং সহযোগী ব্যক্তি ও সত্তার তহবিল বা অন্যান্য আর্থিক পরিসম্পদ বা আর্থিক উৎসসহ উহা হইতে উদ্ভূত বা সৃষ্ট তহবিল, পূর্ব নোটিশ ব্যতীত, অনতিবিলম্বে অবরুদ্ধ, জব্দ বা ক্রোক করিবে;

(গ) বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে কোন ব্যক্তি বা সত্তা কর্তৃক কোন তহবিল সন্ত্রাসী কার্যে ব্যবহারের অভিপ্রায়ে বা উহা সন্ত্রাসী কার্যে ব্যবহৃত হইবে এইরূপ জ্ঞাত থাকিয়া, স্বেচ্ছায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, তহবিল গঠন বা সংগ্রহ করা হইলে, উহা নিষিদ্ধ করিবে;

(ঘ) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক তালিকাভুক্ত বা ১৩৭৩ নং রেজুলেশনের অধীন নিষিদ্ধ বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা সত্তার অথবা উক্তরূপ ব্যক্তির মালিকানাধীন বা তৎকর্তৃক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রিত সত্তার অথবা উক্তরূপ ব্যক্তির পক্ষে বা নির্দেশনা অনুসারে কার্য সম্পাদনকারী ব্যক্তি বা সত্তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কল্যাণে কোন ব্যক্তি বা সত্তা কর্তৃক কোন তহবিল গঠন, আর্থিক পরিসম্পদ বা আর্থিক উৎস বা সম্পৃক্ত অন্যান্য সেবা সৃষ্টি করা হইলে, উহা নিষিদ্ধ করিবে;

(ঙ) কার্যকর সীমানা নিয়ন্ত্রণ এবং অভিবাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক তালিকাভুক্ত ব্যক্তিগণের বাংলাদেশে প্রবেশ বা বাংলাদেশের ভিতর দিয়া অন্য দেশে গমনাগমন প্রতিরোধ করিবে;

(চ) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক তালিকাভুক্ত কোন ব্যক্তি বা সত্তার নিকট, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে কোন অস্ত্র এবং গোলাবারুদ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট উপকরণ, বস্তু, হাতিয়ার (equipment), পণ্য এবং প্রযুক্তি সরবরাহ, বিক্রয় এবং হস্তান্তর প্রতিরোধ করিবে;

(ছ) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা সত্তার মালিকানাধীন, ইজারাধীন বা তৎকর্তৃক বা উহার পক্ষে পরিচালিত যে কোন বিমান (any aircraft) তাহাদের রাষ্ট্রীয় সীমানায় উড্ডয়ন বা অবতরণের অনুমতি প্রদানে অস্বীকৃতি প্রদান করিবে;

(জ) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা সত্তার নিকটে বা নিকট হইতে প্রেরিত কার্গো পরিদর্শনের মাধ্যমে পারমাণবিক, রাসায়নিক বা জৈব (Biological) অস্ত্রসমূহ, উহা সরবরাহের সরঞ্জাম এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বস্তুর অবৈধ পাচার প্রতিরোধ করিবে;

(ঝ) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক তালিকাভুক্ত ব্যক্তি এবং সত্তার সহিত সম্পর্কিত উক্ত রেজুলেশনে উল্লিখিত যেকোন কার্য নিষিদ্ধ এবং প্রতিরোধ করিবে;

(ঞ) এই ধারার যথাযথ বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কর্তৃক রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাকে সময় সময় নির্দেশ প্রদান করিবে;

(ট) দফা (ক) হইতে (ঝ) তে বর্ণিত ক্ষমতা মোতাবেক প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্যে সরকার সময়ে সময়ে প্রজ্ঞাপন বা আদেশ জারির মাধ্যমে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করিবে।

(২) যদি কোন ব্যক্তি বা সত্তা এই ধারার অধীন প্রদত্ত অবরুদ্ধ বা ক্রোক আদেশ লংঘন করে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি বা উক্ত সত্তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনধিক ৪ (চার) বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন অথবা অবরুদ্ধ বা ক্রোকযোগ্য সম্পত্তির মূল্যের দ্বিগুণ অর্থের সমপরিমাণ অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৩) যদি কোন ব্যক্তি বা সত্তা উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) এবং (ঘ) লংঘন করিয়া কোন কার্য করে বা কোন কার্য করিতে ব্যর্থ হয়, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়নের অপরাধ সংঘটন করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং ধারা ৭ এর উপ-ধারা (৩), (৪)(ক) বা, ক্ষেত্রমত, (৪)(খ) এর বিধান অনুসারে দণ্ডিত হইবে।

(৪) যদি কোন ব্যক্তি বা সত্তা উপ-ধারা (১) এর দফা (ঙ) হইতে (জ) লংঘন করিয়া কোন কার্য করে বা কোন কার্য করিতে ব্যর্থ হয়, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কার্যের অপরাধ সংঘটন করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং ধারা ৬ এর উপ-ধারা (২), (৩)(ক) বা, ক্ষেত্রমত, (৩)(খ) এর বিধান অনুসারে দণ্ডিত হইবে।

(৫) যদি কোন রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা এই ধারার অধীন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কর্তৃক প্রদত্ত অনুশাসনাবলী প্রতিপালনে ব্যর্থ হয়, অথবা এই ধারার অধীন অবিলম্বে অবরুদ্ধ কার্যক্রম গ্রহণে ব্যর্থ হয়, তাহা হইলে উক্ত রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কর্তৃক নির্ধারিত এবং নির্দেশিত অনধিক ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকা তবে অন্যূন ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা সন্দেহযুক্ত তহবিলের দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ, উহাদের মধ্যে যাহা অধিক হয়, জরিমানা পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত সংস্থা বা সংস্থার কোন শাখা, সেবাকেন্দ্র, বুথ বা এজেন্টের বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ করিবার উদ্দেশ্যে নিবন্ধন বা লাইসেন্স স্থগিত করিতে পারিবে বা, ক্ষেত্রমত, নিবন্ধনকারী বা লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে উক্ত সংস্থার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করিবে।

(৬) কোন জনসেবকের (public servant) বিরুদ্ধে, এই ধারার বিধান কার্যকর করিবার ক্ষেত্রে, কোনরূপ অবহেলা করিবার অভিযোগ প্রমাণিত হইলে, তাহার নিজস্ব চাকুরি বিধিমালা অনুসারে তাহার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক কার্যক্রম গ্রহণ করা হইবে।]
   
   
পঞ্চম অধ্যায়
অপরাধের তদন্ত
 
পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীকে পরীক্ষা সম্পর্কিত বিশেষ বিধান  
২১। (১) যদি কোন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন কোন মামলার তদন্তকালে ঘটনা এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত এইরূপ কোন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করিবার প্রয়োজন মনে করেন এবং, যদি উক্ত ব্যক্তি ঘটনার বিবরণ লিখিতভাবে প্রদান করিতে যথেষ্ট সক্ষম মর্মে পুলিশ কর্মকর্তার জানা থাকে বা বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে, তাহা হইলে উক্ত পুলিশ কর্মকর্তা, উক্ত ব্যক্তির সম্মতিতে, ঘটনার বিবরণ উক্ত ব্যক্তির নিকট হইতে লিখিতভাবে গ্রহণ করিতে পারিবেন।

     (২) উক্ত ব্যক্তি তাহার বক্তব্য বা ঘটনার বিবরণ স্বহস্তে কলম দ্বারা লিপিবদ্ধ ও স্বাক্ষর করিবেন।

      ৪৫[ (৩) কোন সন্ত্রাসী ব্যক্তি বা সত্তা কর্তৃক ব্যবহৃত ফেসবুক, স্কাইপি, টুইটার বা যে কোন ইন্টারনেট এর মাধ্যমে আলাপ আলোচনা ও কথাবার্তা অথবা তাহাদের অপরাধ সংশ্লিষ্ট স্থির বা ভিডিও চিত্র পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কর্তৃক কোন মামলার তদন্তের স্বার্থে যদি আদালতে উপস্থাপন করা হয়, তাহা হইলে, সাক্ষ্য আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কর্তৃক উপস্থাপিত উক্ত তথ্যাদি আদালতে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে ।]
   
   
 
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক সাক্ষীর বিবৃতি রেকর্ড সম্পর্কিত বিশেষ বিধান  
২২। যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, ৪৬[ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট], অথবা এতদুদ্দেশ্যে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট যদি অবগত থাকেন বা তাহার বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, মামলার ঘটনা ও পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত কোন ব্যক্তি তাহার বিবৃতি লিখিতভাবে প্রদান করিতে যথেষ্ট সমর্থ, তাহা হইলে তিনি উক্ত ব্যক্তিকে তাহার বিবৃতি কলম দ্বারা স্বহস্তে লিখিতভাবে প্রদান করিতে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
   
   
 
অভিযুক্ত ব্যক্তির স্বীকারোক্তি রেকর্ড সম্পর্কিত বিশেষ বিধান  
৪৭[ ২৩। যে কোন মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা এতদুদ্দেশ্যে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত স্বীকারোক্তিমূলক কোন বক্তব্য রেকর্ডকালে, যদি উক্ত ব্যক্তি ঘটনা সম্পর্কে লিখিতভাবে বিবৃতি প্রদান করিতে সক্ষম ও আগ্রহী হন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তিকে তাহার স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য স্বহস্তে লিপিবদ্ধ করিবার অনুমতি প্রদান করিবেন।
   
   
 
তদন্তকালীন সন্ত্রাসী সম্পত্তি জব্দ বা ক্রোকের বিশেষ বিধান  
২৩ক। (১) যদি এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিষয়ে তদন্তকারী কোন কর্মকর্তার নিকট বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, তদন্তাধীন সম্পত্তি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হইতে উদ্ভূত সম্পদ (procceeds of terrorism), তাহা হইলে তিনি উক্ত সম্পত্তি যে জেলায় অবস্থিত উক্ত জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট উক্ত সম্পত্তি জব্দ করিবার পূর্বানুমতির জন্য লিখিত আবেদন করিবেন এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদন যাচাই করিবার পর সন্তুষ্ট হইলে, অনুরূপ সম্পত্তি জব্দ করিবার অনুমতি প্রদান করিতে পারিবেন এবং যেক্ষেত্রে অনুরূপ সম্পত্তি জব্দ করা বাস্তবসম্মত নহে, সেইক্ষেত্রে ক্রোক আদেশের (order of attachment) মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করিবেন যে, অনুরূপ আদেশ প্রদানকারী কর্মকর্তার পূর্বানুমতি ব্যতীত, অনুরূপ সম্পত্তি হস্তান্তর বা অন্য কোন ব্যবস্থা করা যাইবে না।

(২) যদি বৈধ উৎস হইতে অর্জিত সম্পত্তির সহিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হইতে উদ্ভূত সম্পত্তির মিশ্রণ (mingle) ঘটে, তাহা হইলে উক্ত মিশ্রিত (mingled) সম্পত্তিতে স্থিত সন্ত্রাসী কর্মকান্ড হইতে উদ্ভূত সম্পত্তি, অথবা যেক্ষেত্রে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হইতে উদ্ভূত সম্পত্তির মূল্য নিরূপণ করা না যায়, সেইক্ষেত্রে মিশ্রিত সম্পত্তির সম্পূর্ণ মূল্য এই ধারায় বর্ণিত বিধান অনুসারে তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক জব্দ বা ক্রোকযোগ্য হইবে।

(৩) তদন্তকারী কর্মকর্তা অনুরূপ সম্পত্তি জব্দ বা ক্রোকের ৪৮ (আটচল্লিশ) ঘন্টার মধ্যে সরকারকে যথাযথভাবে অবহিত করিবেন এবং সরকার অনুরূপ জব্দ বা ক্রোক আদেশ জারির ৬০ (ষাট) কর্ম দিবসের মধ্যে উক্ত জব্দ বা ক্রোক আদেশ অনুমোদন করিবেন অথবা বাতিল করিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, যাহার সম্পত্তি জব্দ বা ক্রোক হইয়াছে তাহাকে বক্তব্য উপস্থাপনের যথাযথ সুযোগ প্রদান করিতে হইবে।

(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন কোন ক্রোক বা জব্দের মেয়াদকাল আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করিবার পূর্ব পর্যন্ত বহাল থাকিবে।]
   
   
 
তদন্তের সময়সীমা  
২৪। (১) কোন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন কোন মামলার তদন্ত কার্যবিধির ধারা ১৫৪ এর অধীন তথ্য প্রাপ্তি অথবা লিপিবদ্ধ করিবার তারিখ হইতে ৪৮[ ষাট দিনের] মধ্যে সম্পন্ন করিবেন।

(২) যদি কোন পুলিশ কর্মকর্তা উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করিতে না পারেন, তাহা হইলে, মামলার ডায়রীতে লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া অনধিক ৪৯[ ত্রিশ দিন] সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।

(৩) যদি উক্ত পুলিশ কর্মকর্তা উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করিতে না পারেন, তাহা হইলে উক্ত তদন্তকারী কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারিনটেনডেন্টের অথবা, ক্ষেত্রমত, মেট্রোপলিটন এলাকায় সংশ্লিষ্ট ডেপুটি পুলিশ কমিশনারের লিখিত অনুমোদনক্রমে, অতিরিক্ত অনধিক ত্রিশ দিন সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবেন ৫০[

তবে শর্ত থাকে যে, মামলার তদন্তের প্রয়োজনে বাংলাদেশের বাহিরে অন্য কোন দেশ হইতে সাক্ষ্য প্রমাণ সংগ্রহ করিবার প্রয়োজন হইলে উপ-ধারা (১) হইতে (৩) এ বর্ণিত তদন্তের সময়সীমা প্রযোজ্য হইবে না।]

(৪) যদি উক্ত পুলিশ কর্মকর্তা উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত অতিরিক্ত বর্ধিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করিতে না পারেন, তাহা হইলে তিনি অবিলম্বে কারণ উল্লেখপূর্বক সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারিনটেনডেন্টকে অথবা, ক্ষেত্রমত, মেট্রোপলিটন এলাকায় সংশ্লিষ্ট ডেপুটি পুলিশ কমিশনারকে কারণ উল্লেখপূর্বক ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করিবেন, এবং উল্লিখিত কারণ সন্তোষজনক না হইলে ৫১[ তদন্তকারী কর্মকর্তা তাহার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে অভিযুক্ত হইবেন]।
   
   
 
কতিপয় মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে সময়সীমা বৃদ্ধি  
২৫। (১) ৫২[ ধারা ২৪] এর উপ-ধারা (৩) এ নির্ধারিত অতিরিক্ত সময়সীমার মধ্যে এজাহার (FIR) এ উল্লিখিত অপরাধীর পরিচয় অনুদঘাটিত থাকায় এবং উক্ত অপরাধীকে সনাক্তকরণের অসমর্থতার কারণে কোন পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তকার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে, ৫৩[ ধারা ২৪] এ উল্লিখিত অতিরিক্ত বর্ধিত সময়সীমার পরবর্তীতে যে কোন সময় কোন পুলিশ রিপোর্ট অথবা নূতনভাবে পুলিশ রিপোর্ট অথবা অতিরিক্ত পুলিশ রিপোর্ট প্রদানের ক্ষেত্রে উহা বাধা বলিয়া গণ্য হইবে না।

(২) যদি কোন পুলিশ কর্মকর্তা অপরাধ সংশ্লিষ্ট সাক্ষ্য বা কোন রিপোর্ট সরবরাহ করিবার জন্য ৫৪[ ধারা ২৪] এর উপ-ধারা (৩) এর অধীন অতিরিক্ত বর্ধিত সময় সীমার মধ্যে মেডিকেল, ফরেনসিক, আঙ্গুলের ছাপ, রাসায়নিক বা অন্য কোন বিশেষজ্ঞ সাক্ষীর, যাহার উপর তাহার নিয়ন্ত্রণ নাই এবং যাহা ব্যতীত মামলা সম্পর্কে কোন কার্যকর রিপোর্ট তৈরি করা সম্ভব হয় না, অসমর্থতার কারণে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে উক্ত উল্লিখিত অতিরিক্ত বর্ধিত সময়সীমার পরবর্তী যে কোন সময় পুলিশ রিপোর্ট পেশ করিতে উহা বাধা বলিয়া গণ্য হইবে না।
   
   
 
পুনঃসমর্পণ (Remand)  
২৬। (১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তদন্তের জন্য আটক রাখা হয়, সেইক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশের হেফাজতে পুনঃসমর্পণের জন্য উপযুক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন আবেদন বিবেচনাক্রমে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে পুলিশের হেফাজতে পুনঃসমর্পণ করিতে পারিবেন, এবং এইরূপ পুনঃসমর্পণের মেয়াদ একাধিক্রমে বা সর্বমোট দশ দিনের অধিক হইবে না :

তবে শর্ত থাকে যে, যদি তদন্তকারী কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রমাণ করিতে সমর্থ হন যে, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অধিকতর মেয়াদের জন্য পুনঃসমর্পণ করা হইলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য পাওয়া যাইতে পারে, তাহা হইলে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক পাঁচ দিন পর্যন্ত পুনঃসমর্পণের মেয়াদ বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
   
   
ষষ্ঠ অধ্যায়
দায়রা জজ কর্তৃক বিচার
 
দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ কর্তৃক অপরাধের বিচার সম্পর্কিত বিধান  
২৭। (১) ফৌজদারী কার্যবিধি অথবা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এতদুদ্দেশ্যে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ দায়রা জজ কর্তৃক বা, দায়রা জজ কর্তৃক অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট স্থানান্তরিত হইবার ক্ষেত্রে, অতিরিক্ত দায়রা জজ কর্তৃক, বিচার্য হইবে।

(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ এই আইনের অধীন অপরাধ বিচারের সময় দায়রা আদালতে বিচারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ফৌজদারী কার্যবিধির অধ্যায় ২৩ এ বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করিবেন।

(৩) এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার্য বলিয়া গণ্য হইবে, এবং যে দায়রা ডিভিশনের অধিক্ষেত্রে উক্ত অপরাধ বা উহার অংশবিশেষ সংঘটিত হইয়াছে, উক্ত অধিক্ষেত্রের দায়রা জজের নিকট অপরাধের কার্যধারা রুজু করা যাইবে।
   
   
সপ্তম অধ্যায়
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কতৃক বিচার
 
সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন  
২৮। (১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের দ্রুত ও কার্যকর বিচারের উদ্দেশ্যে, এক বা একাধিক সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন দায়রা জজ অথবা একজন অতিরিক্ত দায়রা জজের সমন্বয়ে গঠিত হইবে; এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত একজন বিচারক "বিচারক, সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল" নামে অভিহিত হইবেন।

(৩) এই ধারার অধীন গঠিত কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের স্থানীয় অধিক্ষেত্র অথবা এক বা একাধিক দায়রা ডিভিশনের অধিক্ষেত্র প্রদান করা যাইতে পারে; এবং উক্ত ট্রাইব্যুনাল কেবল এই আইনের অধীন অপরাধের মামলার বিচার করিবে, যাহা উক্ত ট্রাইব্যুনালে দায়ের বা স্থানান্তরিত হইবে।

(৪) সরকার কর্তৃক কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের অথবা এক বা একাধিক দায়রা ডিভিশনের সমন্বয়ে গঠিত উহার অংশ বিশেষের, স্থানীয় অধিক্ষেত্র ন্যস্ত করিবার কারণে একজন দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ কর্তৃক এই আইনের অধীন অপরাধের বিচারের এখতিয়ার ক্ষুণ্ণ হইবে না, এবং সরকার কর্তৃক, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, অনুরূপ কোন আদেশ প্রদান না করা হইলে দায়রা আদালতে নিষ্পন্নাধীন এই আইনের অধীন অপরাধের কোন মামলা বিশেষ স্থানীয় অধিক্ষেত্র সম্পন্ন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বদলী হইবে না ।

(৫) কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, ভিন্নরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করিলে, যে সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হইয়াছে উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য পুনঃগ্রহণ, বা পুনঃশুনানী গ্রহণ করিতে, অথবা উপ-ধারা (৪) এর অধীন গৃহীত কার্যধারা পুনরায় আরম্ভ করিতে বাধা থাকিবে না, তবে ইতোমধ্যে যে সাক্ষ্য গ্রহণ বা উপস্থাপন করা হইয়াছে উক্ত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে কার্য করিতে এবং মামলা যে পর্যায়ে ছিল সেই পর্যায় হইতে বিচারকার্য অব্যাহত রাখিতে পারিবে।

(৬) সরকার, আদেশ দ্বারা, যে স্থান বা সময় নির্ধারণ করিবে সেই স্থান বা সময়ে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আসন গ্রহণ করিতে পারিবে এবং উহার কার্যক্রম পরিচালনা করিতে পারিবে।
   
   
 
বিশেষ ট্রাইব্যুনালের পদ্ধতি  
২৯। (১) সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিম্নে নহেন এইরূপ কোন পুলিশ কর্মকর্তার লিখিত রিপোর্ট ব্যতীত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ করিবে না।

(২) বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীন অপরাধের বিচারকালে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য, ফৌজদারী কার্যবিধির অধ্যায় ২৩ এ বর্ণিত পদ্ধতি, এই আইনের বিশেষ বিধানাবলীর সহিত অসংগতিপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে, অনুসরণ করিবে।

(৩) কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, ন্যায়বিচারের স্বার্থে প্রয়োজনীয় না হইলে, এবং কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ না করিয়া, কোন মামলার বিচারকার্য স্থগিত করিতে পারিবে না।

(৪) যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক রহিয়াছেন বা আত্নগোপন করিয়াছেন যে কারণে তাহাকে গ্রেপ্তার করিয়া বিচারের জন্য উপস্থিত করা সম্ভব নহে এবং তাহাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের অবকাশ নাই, সেক্ষেত্রে উক্ত ট্রাইব্যুনাল, আদেশ দ্বারা, বহুল প্রচারিত অন্যূন দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে, অনুরূপ ব্যক্তিকে আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হইবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে, এবং উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ নির্দেশ পালন করিতে ব্যর্থ হইলে তাহার অনুপস্থিতিতেই বিচার করা হইবে ।

(৫) বিশেষ ট্রাইব্যুনালের সামনে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপস্থিত হইবার বা জামিনে মুক্তি পাইবার পর পলাতক হইলে অথবা উহার সম্মুখে উপস্থিত হইতে ব্যর্থ হইলে, উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হইবে না, এবং উক্ত ট্রাইব্যুনাল উহার সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করিয়া অনুরূপ ব্যক্তির অনুপস্থিতিতেই বিচার করিবে ।

(৬) কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, উহার নিকট পেশকৃত আবেদনের ভিত্তিতে, বা উহার নিজ উদ্যোগে, কোন পুলিশ কর্মকর্তাকে এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ সংশ্লিষ্ট যে কোন মামলা ৫৫[ অধিকতর তদন্ত] , এবং তৎকর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিপোর্ট প্রদানের নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
   
   
 
বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে কার্যবিধির প্রয়োগ  
৩০। (১) ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী, যতদূর সম্ভব, এই আইনের বিধানাবলীর সহিত অসংগতিপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে প্রযোজ্য হইবে, এবং আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী দায়রা আদালতের সকল ক্ষমতা উক্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনালের থাকিবে।

(২) বিশেষ ট্রাইব্যুনালে সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী ব্যক্তি পাবলিক প্রসিকিউটর বলিয়া গণ্য হইবেন।
   
   
 
আপীল এবং মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন  
৩১। (১) বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ, রায় অথবা দণ্ড প্রদানের তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে উহার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল দায়ের করা যাইবে।

(২) এই আইনের অধীন কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড প্রদান করিলে, অবিলম্বে কার্যধারাটি হাইকোর্ট বিভাগে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত বিভাগ কর্তৃক অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাইবে না।
   
   
 
জামিন সংক্রান্ত বিধান  
৩২। এই আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারক জামিনে মুক্তি প্রদান করিবেন না, যদি না -

(ক) রাষ্ট্রপক্ষকে অনুরূপ জামিনের আদেশের উপর শুনানীর সুযোগ প্রদান করা হয়; এবং

(খ) ৫৬[ ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারক] সন্তুষ্ট হন যে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিচারে দোষী সাব্যস্ত নাও হইতে পারেন মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসঙ্গত কারণ রহিয়াছে এবং তিনি অনুরূপ সন্তুষ্টির কারণসমূহ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করেন।
   
   
 
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মামলা নিষ্পত্তির নির্ধারিত সময়সীমা  
৩৩। (১) বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামলার ৫৭[ অভিযোগ গঠন (Charge frame) এর] তারিখ হইতে ছয় মাসের মধ্যে মামলার বিচার কার্য সমাপ্ত করিবেন।

(২) বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন মামলা সমাপ্ত করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করিয়া অনধিক তিন মাস সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।

(৩) বিচারক উপ-ধারা (২) এ নির্ধারিত বর্ধিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সমাপ্ত করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি, অনুরূপ ব্যর্থতার কারণ লিখিতভাবে উল্লেখ করিয়া হাইকোর্ট বিভাগ এবং সরকারকে অবহিত করিয়া, পুনরায় অনধিক তিন মাস সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
   
   
অষ্টম অধ্যায়
সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হইতে উদ্ভূত সম্পদ
 
৫৮[ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদের দখল (Possession of property obtained from terrorist activities)]  
৫৯[ ৩৪। ৬০[ (১) কোন সন্ত্রাসী ব্যক্তি বা সন্ত্রাসী সত্তা বা অন্য কোন ব্যক্তি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হইতে উদ্ভূত বা কোন সন্ত্রাসী ব্যক্তি বা সন্ত্রাসী সত্তা কর্তৃক প্রদত্ত অর্থ বা সম্পদ বা অন্য যে কোন সন্ত্রাসী সম্পত্তি ভোগ করিতে বা দখলে রাখিতে পারিবে না।

(২) এই আইনের অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত হউক বা না হউক, এরূপ কোন সন্ত্রাসী ব্যক্তি বা কোন সন্ত্রাসী সত্তা বা অন্য কোন ব্যক্তির দখলে থাকা কোন সন্ত্রাসী সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।]



(৩) এই আইনের আওতায় কোন অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তি বা সত্তার কোন সম্পত্তি, কোন বিদেশী রাষ্ট্র বা সংস্থার অনুরোধের প্রেক্ষিতে সরকার কর্তৃক জব্দযোগ্য হইবে এবং সংশ্লিষ্ট দেশের সাথে পারস্পরিক আইনগত সহযোগিতার আওতায় বা ক্ষেত্রমত, সরকার কর্তৃক নিস্পত্তিযোগ্য হইবে।



(৪) সরকার কর্তৃক গৃহীত কোন আর্ন্তজাতিক, আঞ্চলিক বা দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি, জাতিসংঘের কনভেনশন বা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক গৃহিত সংশ্লিষ্ট রেজুলেশনের আওতায় কোন ব্যক্তি বা সত্তার সম্পদ জব্দযোগ্য হইবে।]
   
   
 
৬১[ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদ এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হইতে উদ্ভূত সম্পদ বাজেয়াপ্ত (Confiscation of assets obtained from terrorist activities and proceeds of terrorism)]  
৬২[ ৩৫। (১) যেক্ষেত্রে বিচারক এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, কোন ৬৩[ সন্ত্রাসী কার্য হইতে সৃষ্ট (deriving from terrorist activities) বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদ হইতে উদ্ভূত (or it constitutes from proceeds of terrorism)] হইবার কারণে কোন সম্পত্তি জব্দ বা ক্রোক করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে তিনি উক্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীনে ৬৪[ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদ (proceeds of terrorism) বা কোন সন্ত্রাসী কার্য হইতে সৃষ্ট কোন সম্পত্তি] বাজেয়াপ্ত করা হইলে, যে সত্তার নিকট হইতে উক্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হইবে, সেই সত্তার বিরুদ্ধে এই আইনের ধারা ১৮ ও ২০ এ বর্ণিত আইনানুগ ব্যবস্থা সরকার কর্তৃক গ্রহণ করা যাইবে।

(৩) এই আইনের ধারা ৩৪ এর উপ-ধারা (৪) অনুযায়ী জব্দকৃত সম্পদ সংশ্লিষ্ট চুক্তি, কনভেনশন বা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক গৃহিত সংশ্লিষ্ট রেজুলেশনের আলোকে সংশ্লিষ্ট আদালত কর্তৃক বাজেয়াপ্তযোগ্য ও নিষ্পত্তিযোগ্য হইবে।

(৪) বাজেয়াপ্তকৃত সম্পদে দোষী ব্যক্তি বা সত্তা ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা সত্তার স্বত্ব, স্বার্থ বা অধিকার থাকিলে উহা সংশ্লিষ্ট আদালত কর্তৃক ফেরতযোগ্য হইবে।]
   
   
 
সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদ বাজেয়াপ্তকরণের পূর্বে কারণ দর্শাইবার নোটিশ জারী  
৩৬। (১) সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদানের পূর্বে, যে ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণ অথবা দখলে উক্ত সম্পদ থাকে, উক্ত ব্যক্তিকে ৬৫[ ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণপূর্বক কারণ দর্শানোর নোটিশ জারী করিতে হইবে] এবং নোটিশে প্রদত্ত সময়সীমার মধ্যে লিখিত জবাব প্রদানের সুযোগ এবং শুনানীর যুক্তিসঙ্গত সময় প্রদান ব্যতিরেকে কোন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করা যাইবে না ।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন বাজেয়াপ্তির আদেশ প্রদান করা যাইবে না, যদি অনুরূপ ব্যক্তি প্রমাণ করিতে সক্ষম হন যে, উক্ত সম্পদ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে- লব্ধ সম্পদ ছিল তাহা তিনি অবগত ছিলেন না এবং উপযুক্ত মূল্যের বিনিময়ে তিনি তাহা খরিদ করিয়াছেন।
   
   
 
আপীল  
৩৭। (১) ধারা ৩৫ এর অধীন প্রদত্ত বাজেয়াপ্তকরণ আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ কোন ব্যক্তি উক্ত আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।

(২) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক ধারা ৩৫ এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ সংশোধিত বা বাতিল করা হইলে অথবা এই আইনের কোন বিধান লংঘনপূর্বক কোন মামলা দায়ের করা হইলে, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধারা ৩৫ এর অধীন বাজেয়াপ্তির আদেশ প্রদান করা হইয়াছে, উক্ত ব্যক্তি খালাসপ্রাপ্ত হইলে উক্ত বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তি ফেরত প্রদান করা হইবে এবং যদি উক্ত ব্যক্তির নিকট বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তি ফেরত প্রদান সম্ভব না হয়, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তি সরকারের নিকট বিক্রয় হইয়াছে গণ্যে, সম্পত্তি জব্দের দিন হইতে যুক্তিসঙ্গত সুদ গণনাপূর্বক এবং যুক্তিসঙ্গতভাবে মূল্য নির্ধারণপূর্বক উহার মূল্য পরিশোধ করিতে হইবে।
   
   
নবম অধ্যায়
পারস্পরিক আইনগত সহায়তা
 
পারস্পরিক আইনগত সহায়তা  
৩৮। (১) যখন কোন সন্ত্রাসীকার্য এইরূপে সংঘটিত হয় বা উহার সংঘটনে এইরূপে সহায়তা, চেষ্টা, ষড়যন্ত্র বা অর্থায়ন করা হয় যাহাতে কোন বিদেশী রাষ্ট্রের ভূখন্ড সংশ্লিষ্ট থাকে, অথবা কোন সন্ত্রাসীকার্য বা উহার সংঘটনে সহায়তা, চেষ্টা, ষড়যন্ত্র বা অর্থায়ন কোন বিদেশী সার্বভৌম রাষ্ট্রের ভূখন্ড হইতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অথবা বাংলাদেশের অভ্যন্তর হইতে অন্য কোন সার্বভৌম রাষ্ট্রের ভূখন্ডে সংঘটিত হইয়া থাকে, তাহা হইলে উক্ত বিদেশী রাষ্ট্র অনুরোধ করিলে বাংলাদেশ সরকার, সন্তুষ্ট হইলে, এই ধারার পরবর্তী বিধানাবলী সাপেক্ষে, ফৌজদারী তদন্ত, বিচারকার্য বা বহিঃসমর্পন সম্পর্কিত ৬৬[ চুক্তি মোতাবেক] সকল প্রয়োজনীয় বিষয়ে উক্ত বিদেশী রাষ্ট্রকে আইনগত সহায়তা প্রদান করিবে।

(২) অনুরোধকারী রাষ্ট্র এবং অনুরোধপ্রাপ্ত রাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক মত বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পাদিত আনুষ্ঠানিক চুক্তি কিংবা পত্র বিনিময়ের ভিত্তিতে আইনগত সহযোগিতার শর্তাদি নির্ধারণ করা হইবে।

(৩) ৬৭[ আন্তঃরাষ্ট্রিক পারষ্পরিক সম্মতি ব্যতিরেকে] কোন অপরাধের অভিযোগে বিচারের জন্য বাংলাদেশের কোন নাগরিককে এই ধারার অধীনে কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট সমর্পণ করা যাইবে না ৬৮[

তবে বাংলাদেশের কোন আদালতে একই অপরাধের অভিযোগে বিচার চলমান থাকিলে বাংলাদেশের কোন নাগরিকের বহিঃসমর্পণ কার্যকর করা হইবে না।]

(৪) এই ধারার অধীন পারস্পরিক আইনগত সহায়তার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের কোন নাগরিককে, তাহার সম্মতি সাপেক্ষে, সংশ্লিষ্ট ফৌজদারী মামলা বা তদন্ত কার্যে সাক্ষী হিসেবে সহায়তা প্রদান করিবার জন্য কোন বিদেশী রাষ্ট্র্রের নিকট সমর্পণ করা যাইবে।

(৫) যদি সরকারের নিকট বিশ্বাস করিবার মত যথেষ্ট কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে কোন মামলায় শুধুমাত্র তাহার গোত্র, ধর্ম, জাতীয়তা বা রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে বিচার করিবার বা শাস্তি প্রদানের লক্ষ্যে এই ধারার অধীন আইনগত সহায়তার জন্য অনুরোধ করা হইয়াছে, তাহা হইলে অনুরোধপ্রাপ্ত রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ অনুরূপ কোন নির্দিষ্ট মামলার ক্ষেত্রে বহিঃসমর্পণ বা পারস্পরিক আইনগত সহায়তার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করিতে পারিবে।
   
   
দশম অধ্যায়
সাধারণ বিধানাবলী
 
অপরাধের আমলযোগ্যতা ও জামিন অযোগ্যতা  
৩৯। (১) এই আইনের অধীন সকল অপরাধ আমলযোগ্য (cognizable) হইবে।

(২) এই আইনের অধীন সকল অপরাধ জামিন অযোগ্য (non-bailable) হইবে।
   
   
 
তদন্ত ও বিচার বিষয়ে পূর্বানুমোদনের অপরিহার্যতা  
৪০। ৬৯[ (১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা, তাৎক্ষণিভাবে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিতক্রমে মামলা রুজু করিবে এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু করিবে ।]

(২) সরকারের পূর্বানুমোদন (sanction) ব্যতিরেকে কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারার্থ আমলে গ্রহণ (cognizance) করিবে না।
   
   
 
বিশেষ ট্রাইব্যুনালে এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল হইতে মামলা স্থানান্তর  
৪১। সরকার, সাক্ষ্য সমাপ্তির পূর্বে, বিচারের যে কোন পর্যায়ে, যুক্তিসঙ্গত কারণে, এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংক্রান্ত মামলা বা মামলাসমূহ কোন দায়রা আদালত হইতে কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বা কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল হইতে কোন দায়রা আদালতে স্থানান্তর করিতে পারিবে।
   
   
 
তফসিল সংশোধনের ক্ষমতা  
৪২। সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, এই আইনের তফসিল সংশোধন করিতে পারিবে।
   
   
 
বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা  
৪৩। সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
   
   
 
মূল পাঠ এবং ইংরেজী পাঠ  
৪৪। এই আইনের মূল পাঠ বাংলাতে হইবে এবং ইংরেজীতে অনূদিত উহার একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ থাকিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, বাংলা ও ইংরেজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।
   
   
 
রহিতকরণ ও হেফাজত  
৪৫। (১) সন্ত্রাস বিরোধী অধ্যাদেশ, ২০০৮ (২০০৮ সনের ২৮ নং অধ্যাদেশ) এতদ্বারা রহিত করা হইল।

(২) উক্তরূপ রহিতকরণ সত্ত্বেও, রহিত অধ্যাদেশের অধীন কৃত কাজকর্ম বা গৃহীত ব্যবস্থা এই আইনের অধীন কৃত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
   
   
   
 
১ উপ-ধারা (২) সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।

২ উপ-ধারা (২) সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।

৩ দফা ৩ (ক) সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৩ ধারাবলে সন্নিবেশিত ।

৪ উপ-ধারা (১০) সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।

৫ দফা (১১ ক) সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৩(খ) ধারাবলে সন্নিবেশিত ।

৬ দফা (১৪) সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৩(গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।

৭ দফা (১৪ক), (১৪খ), (১৪গ) ও (১৪ঘ) সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৩(ঘ) ধারাবলে সন্নিবেশিত ।

৮ উপ-ধারা (১৬), (১৭), (১৮), (১৯), (২০), (২১), (২২), (২৩), (২৪), (২৫), (২৬), (২৭), (২৮), (২৯) ও (৩০) সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ২ ধারাবলে সংযোজিত।

৯ উপ-দফা (২) সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৩(ঙ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।

১০ ",সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ (২০০১ সনের ৪৭ নং আইন)" শব্দগুলি, কমাগুলি, সংখ্যাগুলি এবং বন্ধনি সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৩(চ) ধারাবলে বিলুপ্ত।

১১ " ২০১২" সংখ্যাটি "২০০৯" সংখ্যাটির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৩(ছ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

১২ "জনগোষ্ঠীর" শব্দটি "গোষ্ঠীর" শব্দটির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৩(জ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

১৩ ‘,মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন’ কমা ও শব্দগুলি ‘ফৌজদারি কার্যবিধি’ শব্দগুলির পর সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ৩ ধারাবলে সন্নিবেশিত।

১৪ ধারা ৫ সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ৪ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।

১৫ ‌উপ-ধারা (৩) সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৪ ধারাবলে সংযোজিত।

১৬ ধারা ৬ সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৫ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

১৭ ধারা ৭ সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৬ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

১৮ "সত্তার" শব্দটি "সংগঠনের" শব্দটির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৭(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

১৯ "সত্তার" শব্দটি "সংগঠনের" শব্দটির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৭(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

২০ "সত্তা" শব্দটি "সংগঠন" শব্দটির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৮(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

২১ "সত্তাকে" শব্দটি "সংগঠনকে" শব্দটির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৮(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

২২ "সত্তাকে" শব্দটি "সংগঠনকে" শব্দটির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৮(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

২৩ "সত্তার" শব্দটি "সংগঠনের" শব্দটির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৮(গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

২৪ "তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং" শব্দগুলি"এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র করেন, তাহা হইলে" শব্দগুলি ও কমার পর সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৯ ধারাবলে সন্নিবেশিত ।

২৫ "৪ (চার)"শব্দ, সংখ্যা ও বন্ধনী "পাঁচ" শব্দটির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ৯ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

২৬ ধারা ১১ সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ১০ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

২৭ ধারা ১২ সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ১১ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

২৮ ‘স্বেচ্ছাধীন’ শব্দটি সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ৭ ধারাবলে বিলুপ্ত ।

২৯ ‘বা অন্য যে কোন’ শব্দগুলি ‘কোন মুদ্রণ বা ইলেকট্রনিক’ শব্দগুলির পর সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ৭ ধারাবলে সন্নিবেশিত।

৩০ "সত্তাকে"শব্দটি "সংগঠনকে" শব্দটির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ১২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৩১ সত্তা"শব্দটি "সংগঠন" শব্দটির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ১২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৩২ "৪ (চার)" শব্দ, সংখ্যা ও বন্ধনী "পাঁচ" শব্দটির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ১২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৩৩ "অপরাধীকে আশ্রয় প্রদানের শাস্তি " শব্দগুলি "অপরাধীকে আশ্রয় প্রদান" শব্দগুলির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ১৩(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৩৪ উপ-ধারা (৩) সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ১৩(খ) ধারাবলে সংযোজিত।

৩৫ ধারা ১৫ সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ১৪ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৩৬ ধারা ১৬ সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ৯ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।

৩৭ উপ-ধারা (৩), (৪) ও (৫) সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ১৫ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৩৮ ধারা ১৭ সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ১৭ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৩৯ ধারা ১৮ সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ১৮ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৪০ "ব্যক্তি বা সত্তা" শব্দগুলি "সংগঠন" শব্দের পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ১৯ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৪১ ‘এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি মোতাবেক’ শব্দগুলি ‘আবেদনকারীর শুনানী গ্রহণপূর্বক’ শব্দগুলির পর সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ১১ ধারাবলে সন্নিবেশিত।

৪২ "ব্যক্তি বা সত্তা" শব্দগুলি "সংগঠন" শব্দের পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ১৯ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৪৩ ধারা ২০ সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ২০ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৪৪ ধারা ২০ক সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ২১ ধারাবলে সন্নিবেশিত।

৪৫ উপ-ধারা (৩) সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ২২ ধারাবলে সংযোজিত।

৪৬ ‘জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট’ শব্দগুলি ‘প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট’ শব্দগুলির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ১৩ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৪৭ ধারা ২৩ ও ২৩ক সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ২৩ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৪৮ ‘ষাট দিনের’ শব্দগুলি ‘ত্রিশ দিনের’ শব্দগুলির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ১৫(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৪৯ ‘ত্রিশ দিন’ শব্দগুলি ‘পনের দিন’ শব্দগুলির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ১৫(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৫০ কোলন “ঃ” দাঁড়ির “।“ পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ১৫(গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত এবং শর্তাংশ সংযোজিত ।

৫১ ‘তদন্তকারী কর্মকর্তা তাহার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে অভিযুক্ত হইবেন’ শব্দগুলি ‘তাহার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে’ শব্দগুলির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ১৫(ঘ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৫২ ‘ধারা ২৪’ শব্দ ও সংখ্যা ‘ধারা ২৫’ শব্দ ও সংখ্যার পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ১৬ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৫৩ ‘ধারা ২৪’ শব্দ ও সংখ্যা ‘ধারা ২৫’ শব্দ ও সংখ্যার পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ১৬ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৫৪ ‘ধারা ২৪’ শব্দ ও সংখ্যা ‘ধারা ২৫’ শব্দ ও সংখ্যার পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ১৬ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৫৫ ‘অধিকতর তদন্ত’ শব্দগুলি ‘পুনঃতদন্তের’ শব্দটির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ১৭ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৫৬ ‘ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারক’ শব্দগুলি ‘বিচারক’ শব্দটির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ১৮ ধারাবলে সন্নিবেশিত ।

৫৭ ‘অভিযোগ গঠন (Charge frame) এর’ শব্দগুলি ‘অভিযোগপত্র গঠনের’ শব্দগুলির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ১৯ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৫৮ "সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদের দখল (Possession of property obtained from terrorist activities)" উপান্ত টীকা সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ২৪(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৫৯ ধারা ৩৪ সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ২০ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৬০ উপ-ধারা (১) ও (২) সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ২৪ (খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৬১ "সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদ এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হইতে উদ্ভূত সম্পদ বাজেয়াপ্ত (Confiscation of assets obtained from terrorist activities and proceeds of terrorism))" সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ২৫(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৬২ ধারা ৩৫ সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ২১ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৬৩ "সন্ত্রাসী কার্য হইতে সৃষ্ট (deriving from terrorist activities) বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদ হইতে উদ্ভুত (or it constitutes from proceeds of terrorism)" শব্দগুলি, বন্ধনীগুলি ও হাইফেন "সন্ত্রাসী কার্য হইতে উদ্ভুত" শব্দগুলির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ২৫(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৬৪ " সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-লব্ধ সম্পদ (proceeds of terrorism) বা কোন সন্ত্রাসী কার্য হইতে সৃষ্ট কোন সম্পত্তি" শব্দগুলি, বন্ধনী ও হাইফেন "কোন সন্ত্রাসী কার্য হইতে উদ্ভূত কোন সম্পত্তি"শব্দগুলির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ২৫(গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৬৫ ‘ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণপূর্বক কারণ দর্শানোর নোটিশ জারী করিতে হইবে’ শব্দগুলি ‘লিখিত নোটিশ প্রদানপূর্বক বাজেয়াপ্ত করিবার কারণ অবহিত না করিয়া’ শব্দগুলির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ২২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৬৬ ‘চুক্তি মোতাবেক’ শব্দগুলি ‘বহিঃসমর্পন সম্পর্কিত’ শব্দগুলির পর সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ২৩ (ক) ধারাবলে সন্নিবেশিত।

৬৭ ‘আন্তঃরাষ্ট্রিক পারষ্পরিক সম্মতি ব্যতিরেকে’ শব্দগুলি ‘এই আইনের অধীন’ শব্দগুলির পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ২৩ (খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

৬৮ কোলন “ঃ” দাঁড়ির “।“ পরিবর্তে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৬ নং আইন) এর ২৩ (খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত এবং শর্তাংশ সংযোজিত ।

৬৯ উপ-ধারা (১) সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২২ নং আইন) এর ২৬ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

Copyright © 2010, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs