পানি সম্পদ পরিকল্পনা আইন, ১৯৯২
( ১৯৯২ সনের ১২ নং আইন )
  [১ ফেব্রম্্নয়ারি, ১৯৯২]
     
      পানি সম্পদ উন্নয়ন ও উহার সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন৷
 

যেহেতু পানি সম্পদ উন্নয়ন ও উহার সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-

   
 
সংক্ষিপ্ত শিরোনামা  
১৷ এই আইন পানি সম্পদ পরিকল্পনা আইন, ১৯৯২ নামে অভিহিত হইবে৷
   
   
 
সংজ্ঞা  
২৷ বিষয় বা প্রসংগের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,-

(ক) “কার্য নির্বাহী পরিষদ” অর্থ ধারা ৯ এর অধীন গঠিত কার্য নির্বাহী পরিষদ;

(খ) “পরিচালক” অর্থ সংস্থার পরিচালক;

(গ) “প্রবিধান” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান;

(ঘ) “বোর্ড” অর্থ ধারা ৬ এর অধীন গঠিত পরিচালনা বোর্ড;

(ঙ) “বিধি” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;

(চ) “মহা-পরিচালক” অর্থ সংস্থার মহা-পরিচালক;

(ছ) “সংস্থা” অর্থ এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা৷
   
   
 
সংস্থা প্রতিষ্ঠা  
৩৷ (১) এই আইন বলবত্ হইবার পর, যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করিবে৷

(২) সংস্থা একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করার, অধিকারে রাখার ও হস্তান্তর করার ক্ষমতা থাকিবে এবং ইহার নামে ইহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে বা ইহার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইবে৷
   
   
 
সংস্থার প্রধান কার্যালয়  
৪৷ সংস্থার প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে এবং ইহা প্রয়োজনবোধে, যে কোন স্থানে শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে৷
   
   
 
সাধারণ পরিচালনা  
৫৷ সংস্থার সাধারণ পরিচালনা ও প্রশাসন একটি পরিচালনা বোর্ডের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সংস্থার যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে পরিচালনা বোর্ড সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিবে৷
   
   
 
পরিচালনা বোর্ডের গঠন  
৬৷ নিম্ন বর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে পরিচালনা বোর্ড গঠিত হইবে, যথা:-

(ক) সেচ, পানি উন্নয়ন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয় বা বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী, যিনি উহার চেয়ারম্যানও হইবেন;

(খ) পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্ট সদস্য, যিনি উহার ভাইস-চেয়ারম্যানও হইবেন;

(গ) সেচ, পানি উন্নয়ন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিব;

(ঘ) কৃষি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিব;

(ঙ) স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিব;

(চ) সড়ক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিব;

(ছ) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিব;

(জ) বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিব;

(ঝ) নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিব;

(ঞ) মহা-পরিচালক, যিনি উহার সচিবও হইবেন৷
   
   
 
সংস্থার কার্যাবলী  
৭৷ সংস্থার কার্যাবলী হইবে নিম্নরূপ, যথা:-

(ক) পানি সম্পদ উন্নয়নকল্পে পরিবেশগতভাবে ভারসাম্যপূর্ণ পানি সম্পদ মহা-পরিকল্পনা প্রণয়ন করা;

(খ) পানি সম্পদের বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবহার ও সংরক্ষণ সম্পর্কিত জাতীয় কৌশল ও নীতি নির্ধারণ করা;

(গ) পানি সম্পদ উন্নয়ন, ব্যবহার ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থাকে পরামর্শ প্রদান করা;

(ঘ) পানি সম্পদ উন্নয়ন, ব্যবহার ও সংরক্ষণে নিয়োজিত যে কোন প্রতিষ্ঠানের সমীক্ষা পরিচালনায় সহযোগিতা প্রদান, এবং প্রয়োজনে, তত্সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে বিশেষ সমীক্ষা পরিচালনা করা;

(ঙ) পানি সম্পদ উন্নয়ন, ব্যবহার ও সংরক্ষণে নিয়োজিত কোন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থা হইতে উদ্ভূত বিষয়ের মূল্যায়ন ও পর্যালোচনা করা এবং উক্ত বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করা;

(চ) পানি সম্পদ ব্যবহার সংক্রান্ত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পেশাগত মান উন্নীত করা;

(ছ) পানি সম্পদ ব্যবহার সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করা এবং উহাদের প্রচারের ব্যবস্থা করা;

(জ) পানি সম্পদ বিষয়ক জাতীয়, এবং সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, আন্তর্জাতিক সেমিনার, সম্মেলন ও কর্মশালার আয়োজন ও পরিচালনা করা;

(ঝ) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত পানি সম্পদ বিষয়ক অন্যান্য দায়িত্ব পালন করা৷
   
   
 
মহা-পরিচালক ও পরিচালক  
৮৷ (১) সংস্থার একজন মহা-পরিচালক ও অন্যুন দুইজন পরিচালক থাকিবে৷

(২) মহা-পরিচালক ও পরিচালকগণ সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং তাহাদের চাকুরীর শর্তাবলী সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হইবে৷

(৩) মহা-পরিচালকের পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে তিনি তাহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে, শূন্য পদে নবনিযুক্ত মহা-পরিচালক কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত কিংবা মহা-পরিচালক পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যন্ত সরকার কর্তৃক মনোনীত কোন ব্যক্তি মহা-পরিচালকরূপে কার্য করিবেন৷

(৪) মহা-পরিচালক সংস্থার প্রধান নির্বাহী হইবেন এবং তিনি সংস্থার প্রশাসন পরিচালনা করিবেন৷
   
   
 
কার্য নির্বাহী পরিষদ  
৯৷ (১) সংস্থার একটি কার্য নির্বাহী পরিষদ থাকিবে, যাহা একজন চেয়ারম্যান ও অন্যুন দুইজন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে৷

(২) মহা-পরিচালক কার্য নির্বাহী পরিষদের চেয়ারম্যান এবং পরিচালক উহার সদস্য হইবেন৷

(৩) কার্য নির্বাহী পরিষদ বোর্ডকে উহার কার্যাবলী সূচারুরূপে সম্পাদনের পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করিবে, বোর্ডের যাবতীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য দায়ী থাকিবে এবং বোর্ড কর্তৃক অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করিবে৷
   
   
 
সভা  
১০৷ (১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, বোর্ড উহার নিজের এবং কার্য নির্বাহী পরিষদের সভার কার্য পদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে৷

(২) বোর্ডের সভা, উহার চেয়ারম্যানের সম্মতিক্রমে, উহার সচিব কর্তৃক আহূত হইবে এবং চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে৷

(৩) বোর্ডের সভায় সভাপতিত্ব করিবেন উহার চেয়ারম্যান এবং তাহার অনুপস্থিতিতে উহার ভাইস-চেয়ারম্যান, এবং তাহাদের উভয়ের অনুপস্থিতিতে, সভায় উপস্থিত সদস্যগণ কর্তৃক তাহাদের মধ্য হইতে মনোনীত কোন সদস্য৷

(৪) কার্য নির্বাহী পরিষদের সকল সভা কার্য নির্বাহী চেয়ারম্যানের নির্দেশে আহূত এবং তত্কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে৷

(৫) কার্য নির্বাহী পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করিবেন কার্য নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং তাহার অনুপস্থিতিতে তত্কর্তৃক নির্দেশিত উহার কোন সদস্য৷

(৬) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদে শূন্যতা বা বোর্ড গঠনে ত্রুটি থাকার কারণে বোর্ডের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তত্সম্পর্কে কোন প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না৷
   
   
 
কারিগরী কমিটি, ইত্যাদি  
১১৷ (১) পানি সম্পদ উন্নয়নকল্পে মহা-পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং পানি সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবহারের সহিত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক সমস্যা নিরসনে সংস্থাকে পরামর্শ প্রদানের জন্য বোর্ড কারিগরী কমিটি নামে একটি কমিটি গঠন করিবে৷

(২) কারিগরী কমিটি অনধিক পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট হইবে, এবং, উপধারা (৩) এর বিধান সাপেক্ষে, উক্ত কমিটির সদস্যগণ সংস্থা কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন৷



(৩) বোর্ডের ভাইস-চেয়ারম্যান এবং সচিব যথাক্রমে উক্ত কমিটির চেয়ারম্যান ও সচিব হইবেন৷

(৪) সংস্থা উহার দায়িত্ব পালনে সহায়তা দানের জন্য তত্কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে অন্যান্য কমিটি গঠন করিতে পারিবে৷
   
   
 
সংস্থা-তহবিল  
১২৷ (১) সংস্থার একটি তহবিল থাকিবে এবং উহাতে সরকারের অনুদান, অন্য কোন উত্স হইতে প্রাপ্ত দান ও অনুদান এবং সংস্থা কর্তৃক প্রাপ্ত অন্য যে কোন অর্থ জমা হইবে৷

(২) এই তহবিল সংস্থার নামে তত্কর্তৃক অনুমোদিত কোন তফসিলী ব্যাংকে জমা রাখা হইবে এবং বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে তহবিল হইতে অর্থ উঠানো যাইবে৷

(৩) এই তহবিল হইতে সংস্থার প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা হইবে, তবে সংস্থা প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে এই তহবিলের কিছু অংশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কোন খাতে বিনিয়োগ করিতে পারিবে৷
   
   
 
বাজেট  
১৩৷ সংস্থা প্রতি বত্সর সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উহার পরবর্তী অর্থ বত্সরের বার্ষিক বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত অর্থ বত্সরে সরকারের নিকট হইতে সংস্থার কি পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন উহার উল্লেখ থাকিবে৷
   
   
 
হিসাব রক্ষণ ও নিরীক্ষা  
১৪৷ (১) সংস্থা যথাযথভাবে উহার হিসাব রক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে৷

(২) বাংলাদেশ মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর মহা-হিসাব নিরীক্ষক নামে অভিহিত, প্রতি বত্সর সংস্থার হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং নিরীক্ষা রিপোর্টের একটি করিয়া অনুলিপি সরকার ও সংস্থার নিকট পেশ করিবেন৷

(৩) উপ-ধারা (২) মোতাবেক হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে মহা-হিসাব নিরীক্ষক কিংবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি সংস্থার সকল রেকর্ড, দলিল-দস্তাবেজ, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভাণ্ডার এবং অন্যবিধ সম্পত্তি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং সংস্থার কোন সদস্য, মহা-পরিচালক, পরিচালক বা সংস্থার অন্য যে কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন৷
   
   
 
সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মচারী  
১৫৷ সংস্থার কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে সংস্থা প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও অন্যান্য কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে এবং তাহাদের চাকুরীর শর্তাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷
   
   
 
নির্দেশ প্রদানে সরকারের ক্ষমতা  
১৬৷ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার সংস্থাকে যে কোন নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং সংস্থা উহা পালন করিতে বাধ্য থাকিবে৷
   
   
 
প্রতিবেদন  
১৭৷ (১) প্রতি বত্সর ৩০শে জুনের মধ্যে সংস্থা তত্কর্তৃক উহার পূর্ববর্তী বত্সরে সম্পাদিত কার্যাবলীর খতিয়ান সম্বলিত একটি প্রতিবেদন সরকারের নিকট পেশ করিবে৷

(২) সরকার প্রয়োজনমত সংস্থার নিকট হইতে যে কোন সময় সংস্থার যে কোন বিষয়ের উপর প্রতিবেদন এবং বিবরণী আহ্বান করিতে পারিবে এবং সংস্থা উহা সরকারের নিকট সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবে৷
   
   
 
ক্ষমতা অর্পণ  
১৮৷ সংস্থা উহার যে কোন ক্ষমতা বা দায়িত্ব সুনির্দিষ্ট শর্তে মহা-পরিচালক, পরিচালক বা সংস্থার অন্য কোন কর্মকর্তাকে অর্পণ করিতে পারিবে৷
   
   
 
সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম রক্ষণ  
১৯৷ এই আইনে বা কোন বিধি বা প্রবিধানের অধীন সরল বিশ্বাসে কৃত কোন কাজের ফলে কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হইলে বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকিলে তজ্জন্য সংস্থার কোন সদস্য মহা-পরিচালক, পরিচালক বা সংস্থার অন্য কোন কর্মকর্তা বা কোন কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলা দায়ের বা অন্য কোন আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা যাইবে না৷
   
   
 
জনসেবক  
২০৷ সংস্থার সদস্য, মহা-পরিচালক, পরিচালক এবং সংস্থার অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ Penal Code (Act XLV of 1860) এর Section 21 এ ”Public Servant” (জনসেবক) কথাটি যে অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে সেই অর্থে Public Servant (জনসেবক) বলিয়া গণ্য হইবে৷
   
   
 
সংস্থা দোকান, ইত্যাদি হিসাবে গণ্য হইবে না  
২১৷ আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংস্থা Shops and Establishment Act, 1965 (E. P. Act VII of 1965), Factories Act, 1965 (E. P. Act IV of 1965) বা Industrial Relations Ordinance, 1969 (XXIII of 1969) এর তাত্পর্যাধীন ”Shop”, ”Commercial Establishment”, ”Factory” বা ”Industry” বলিয়া গণ্য হইবে না৷
   
   
 
বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা  
২২৷ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে৷
   
   
 
প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা  
২৩৷ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে এবং সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের বা কোন বিধির সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ নহে এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে৷
   
   
 
জাতীয় পানি প্রজেক্টের সম্পদ ইত্যাদি  
২৪৷ সংস্থা প্রতিষ্ঠার সংগে সংগে-

(ক) অধুনালুপ্ত জাতীয় পানি প্রজেক্ট (দ্বিতীয় পর্যায়) এর সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি এবং নগদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ সংস্থায় হস্তান্তরিত হইবে এবং সংস্থা উহার অধিকারী হইবে;

(খ) উক্ত প্রজেক্টের সকল ঋণ, দায় ও দায়িত্ব সংস্থার ঋণ, দায় ও দায়িত্ব হইবে৷
   
   
 
রহিতকরণ ও হেফাজত  
২৫৷ (১) পানি সম্পদ পরিকল্পনা অধ্যাদেশ, ১৯৯১ (অধ্যাদেশ নং ৪৬, ১৯৯১) এতদ্বারা রহিত করা হইল৷

(২) অনুরূপ রহিতকরণ সত্ত্বেও, রহিত অধ্যাদেশের অধীন কৃত কাজকর্ম বা গৃহীত ব্যবস্থা এই আইনের অধীন কৃত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে৷
   
   
   
 

Copyright © 2010, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs