প্রিন্ট ভিউ

[সেকশন সূচি]

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬

( ২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন )

২০০০ সনের ৮ নং আইনের ধারা ৯ এর সংশোধন

৪৷ উক্ত আইনের ধারা ৯ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

ব্যাখ্যা ৷-(১) যদি কোন ব্যক্তি বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন করিয়া বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন শিশুর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌনকর্ম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, “ধর্ষণ” অর্থে বলাৎকারও অন্তর্ভুক্ত হইবে।”;

(খ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “অন্যূন এক লক্ষ টাকা” শব্দগুলির পরিবর্তে “অন্যূন দুই লক্ষ টাকা” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(গ) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “দলবদ্ধভাবে” শব্দের পর “বা সংঘবদ্ধভাবে” শব্দগুলি সন্নিবেশিত এবং “অন্যূন এক লক্ষ টাকা” শব্দগুলির পরিবর্তে “অন্যূন দুই লক্ষ টাকা” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(ঘ) উপ-ধারা ৪ এর দফা (খ) এর প্রান্তস্থিত দাঁড়ি চিহ্নের পরিবর্তে সেমিকোলন চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন দফা (গ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“(গ) ধর্ষণের উদ্দেশ্যে শরীরের কোন অঙ্গ, ধারালো অস্ত্র, রাসায়নিক পদার্থ, বা অন্য কোন উপকরণ ব্যবহার করিয়া কিংবা অন্য কোনভাবে নারী বা শিশুর যৌনাঙ্গ বা স্তনে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন তিন লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।”;

(ঙ) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত “পুলিশ” শব্দের পর ‘বা অন্য কোন শৃঙ্খলা-বাহিনীর” শব্দগুলি এবং “অন্যূন দশ হাজার টাকা” শব্দগুলির পরিবর্তে “অন্যূন পঞ্চাশ হাজার টাকা” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(চ) উপ-ধারা (৫) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৬) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“(৬) এই ধারায় উল্লিখিত অর্থদণ্ড ধারা ১৫ এর বিধান অনুসারে আদায়পূর্বক ক্ষতিপূরণ হিসাবে অপরাধের শিকার ব্যক্তি বা, ক্ষেত্রমত, তাহার আইনগত উত্তরাধিকারীকে প্রদান করিতে হইবে।”।


Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs