২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসের গণঅভ্যূত্থান ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের ইতিহাস, নিদর্শন ও দলিলাদি সংরক্ষণ, গবেষণা ও প্রদর্শনের জন্য জুলাই গণঅভ্যূত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার উদ্দেশ্যে প্রণীত
আইন
যেহেতু ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বাংলাদেশে একটি সফল গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হইয়াছে; এবং
যেহেতু উক্ত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর পতন ঘটিয়াছে; এবং
যেহেতু বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন ছিল স্বৈরাচারী সরকারের উত্থান, ক্রমবিকাশ ও সকল প্রকার নিবর্তনমূলক কার্যক্রমের সূতিকাগার এবং তাহা দমন-পীড়নমূলক বিবিধরূপ কর্মকাণ্ড ও নৃশংসতার প্রতীক হইয়া উঠিয়াছিল; এবং
যেহেতু ইতিহাসের স্বার্থে ২০০৯ সাল হইতে আরম্ভ হওয়া ফ্যাসিস্ট একনায়ক শেখ হাসিনার দুঃশাসন ও অপকর্মের সকল প্রতীক, প্রমাণ, স্মারক ও দলিল দস্তাবেজ জাদুঘরে যত্ন সহকারে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন; এবং
যেহেতু ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত সফল গণঅভ্যূত্থানের স্মৃতি সংবলিত সকল প্রকার নিদর্শন সংগ্রহ করিয়া জাতীয় ইতিহাসের প্রামাণিক অভিলেখাগার স্থাপন করা অত্যাবশ্যক; এবং
যেহেতু ফ্যাসিবাদী শাসনের উত্থান ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতীক হিসাবে পতিত স্বৈরাচারী সরকারের সরকার প্রধানের বাসভবন গণভবনকে একটি স্বতন্ত্র জাদুঘরে রূপান্তর করিবার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়াছে; এবং
যেহেতু জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর স্থাপন ও পরিচালনার উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:—
সূচি
ধারাসমূহ
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
৬। জাদুঘরের ব্যবস্থাপনা বিভাগসমূহ
২২। স্থাবর নিদর্শন ধ্বংস বা বিনষ্ট করিবার দণ্ড
২৩। অস্থাবর নিদর্শন ধ্বংস বা বিনষ্ট করিবার দণ্ড
২৪। নিদর্শনের উপর খোদাইকরণ, লিখন, ইত্যাদির দণ্ড
২৫। জাদুঘরের কর্মচারী কর্তৃক সংঘটিত অপরাধের দণ্ড
২৬। অর্থদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত নিদর্শনের জন্য ব্যয়
২৮। দণ্ড আরোপের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ ক্ষমতা
৩২। ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ
| জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইন, ২০২৬ |