প্রিন্ট ভিউ
[সেকশন সূচি]
১৭। উক্ত আইনের ধারা ৩৬ এর পর নিম্নরূপ নূতন ধারা ৩৬ক সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-
৩৬ক। সাইবার স্পেস বা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করিয়া মাদকদ্রব্য বা সাইকোঅ্যাকটিভ সাবস্টেন্স এর অবৈধ ক্রয়, বিক্রয়, সরবরাহ, প্রস্তাব, প্রচার বা লেনদেন, ইত্যাদির দন্ড।-(১) যদি কোনো ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে-
(ক) কোনো সাইবার স্পেস, ডিজিটাল ডিভাইস, ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ইলেকট্রনিক যোগাযোগব্যবস্থা বা অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করিয়া মাদকদ্রব্য বা সাইকোঅ্যাকটিভ সাবস্টেন্স ক্রয়, বিক্রয়, সরবরাহ, প্রস্তাব, বিজ্ঞাপন, মধ্যস্থতা, যোগাযোগ অথবা এতদসংক্রান্ত কোনো অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করেন বা করিবার চেষ্টা করেন; অথবা
(খ) দফা (ক) এ বর্ণিত উদ্দেশ্যে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা, ই-ওয়ালেট, ভার্চুয়াল সম্পদ বা ক্রিপ্টোকারেন্সি, ইত্যাদি ব্যবহার করেন বা করিবার চেষ্টা করেন,
তাহা হইলে উহা হইবে অপরাধ:
তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার অধীন অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধীর নিকট হইতে মাদকদ্রব্য উদ্ধার হওয়া বাধ্যতামূলক হইবে না।
(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ করিলে তিনি যে কোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে অথবা সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডে এবং অনূর্ধ্ব ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবেন।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ আন্তর্জাতিকভাবে বা কোনো সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের মাধ্যমে সংগঠিত অথবা পুনঃসংগঠিত হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যে কোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে অথবা অনূর্ধ্ব ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধে ব্যবহৃত সাইবার স্পেস, ডিজিটাল ডিভাইস, ইত্যাদি বা ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট, ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা, ই-ওয়ালেট, ভার্চুয়াল সম্পদ বা ক্রিপ্টোকারেন্সি, ইত্যাদি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের বা, ক্ষেত্রমত, মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের আদেশক্রমে ব্লক, অপসারণ, জব্দ, বাজেয়াপ্ত বা, ক্ষেত্রমত, রাষ্ট্রের অনুকূলে ন্যস্ত করা যাইবে।”।