প্রিন্ট
৩২৯। সরকারি ও আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, বিধিবদ্ধ সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং বেসরকারি সংস্থাসমূহের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী এই আইনের অধীন আয়কর কর্তৃপক্ষকে তাহাদের কর্তব্য পালনে সহায়তা প্রদান করিবে।
৩৩০। (১) যেইক্ষেত্রে কোনো আয়কর কর্তৃপক্ষ অথবা আপিল ট্রাইব্যুনাল স্বীয় বিবেচনায় বা করদাতার লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে বা অন্য কোনো উৎসের তথ্যের ভিত্তিতে কোনো আদেশে ত্রুটি দেখিতে পান, সেইক্ষেত্রে আয়কর কর্তৃপক্ষ অথবা আপিল ট্রাইব্যুনাল লিখিত আদেশ দ্বারা, উক্তরূপ ত্রুটি সংশোধন করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশ জারির তারিখ হইতে ৪ (চার) বৎসর মেয়াদ শেষ হইবার পর এই উপ-ধারার অধীন কোনো সংশোধন করা যাইবে না।
(২) যেইক্ষেত্রে কোনো করদাতা, কোনো করবর্ষের ক্ষেত্রে লিখিত আবেদন দ্বারা, উপকর কমিশনারের নিকট এই মর্মে দাবি উত্থাপন করেন যে, এই আইনের অধীন-
(ক) প্রদেয় অর্থের পরিমাণের চাহিতে অধিক পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করা হইয়াছে; বা
(খ) করদাতা কর্তৃক পরিশোধিত কোনো করের ক্রেডিট প্রদান করা হয় নাই;
সেইক্ষেত্রে উপকর কমিশনার করদাতার দাবির বৈধতা এবং সঠিকতা যাচাই করিয়া যে করবর্ষে উক্তরূপ অধিক পরিমাণ অর্থ পরিশোধিত হইয়াছিল সেই করবর্ষে উহার প্রত্যর্পণ সৃষ্টি করিবেন বা, ক্ষেত্রমত, উক্তরূপ পরিশোধিত করের ক্রেডিট প্রদান করিবেন।
(৩) কর নির্ধারণ বৃদ্ধি বা প্রত্যর্পণ হ্রাস বা অন্য কোনোভাবে করদাতার দায় বৃদ্ধি করিতে পারে এইরূপ সংশোধনীর ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষসমূহকে যুক্তিসঙ্গত শুনানির সুযোগ প্রদান না করিয়া উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো দায় সংশোধন করা যাইবে না।
(৪) যেইক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোনো ত্রুটি করদাতা কর্তৃক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গোচরীভূত করা হইয়াছে এবং উক্ত ত্রুটি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিবার পরবর্তী অর্থবৎসরের মধ্যে সংশোধন করা না হয়, সেইক্ষেত্রে এই উপ-ধারার অধীন ত্রুটি সংশোধন করা হইয়াছে বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং তদনুসারে এই আইনের বিধানাবলি কার্যকর হইবে।
(৫) যেইক্ষেত্রে কোনো ফার্মের অংশীদারের কর নির্ধারণের পর উক্ত ফার্মের কর নির্ধারণ অনুসারে বা ধারা ২১৩, ২৮৫, ২৮৯, ২৯২, ২৯৪, ২৯৫ বা ৩০৪ এর অধীন ফার্মের আয় হ্রাস বা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে এইরূপ পরিদৃষ্ট হয় যে, ফার্মের লাভ বা লোকসানের অংশ উহার অংশীদারের আয় নির্ধারণের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয় নাই বা অন্তর্ভুক্ত হইলেও উহা সঠিকভাবে হয় নাই, সেইক্ষেত্রে উক্ত কর নির্ধারণে অংশীদারের শেয়ারের, ক্ষেত্রমত, অন্তর্ভুক্তি বা সংশোধনী এইরূপভাবে সম্পন্ন করিতে হইবে যেন উহা এই ধারার অধীন রেকর্ড সাপেক্ষে ত্রুটি সংশোধন করা হইয়াছে বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলি তদনুসারে কার্যকর হইবে।
(৬) যেইক্ষেত্রে ধারা ২১২ এর অধীন গৃহীত কার্যধারার ফলস্বরূপ, কোনো ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘের কর নির্ধারণ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারের বিবেচনায় ফার্মের অংশীদারের বা, ক্ষেত্রমতে, ব্যক্তিসংঘের সদস্যের মোট আয় পরিগণনা করা প্রয়োজন, সেইক্ষেত্রে উপকর কমিশনার এইরূপ ক্ষেত্রে মোট আয় পরিগণনা করিতে পারিবে না এবং উক্ত পরিগণনার ভিত্তিতে পরিশোধযোগ্য অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করিবেন যেন উক্ত পরিগণনা এই ধারার অধীন রেকর্ড সাপেক্ষে ত্রুটি সংশোধন করা হইয়াছে এবং উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলি তদনুসারে কার্যকর হইবে।
৩৩১। এই আইনের অধীন প্রদেয় অর্থ বা প্রত্যর্পণের পরিমাণ নির্ধারণে, টাকার কোনো ভগ্নাংশ ৫০ (পঞ্চাশ) পয়সা বা ততোধিক হইলে উহা ১ (এক) টাকা হিসাবে গণ্য হইবে।
৩৩২। এই আইনের অধীন পরিশোধিত বা পুনরুদ্ধারকৃত অর্থের জন্য রশিদ প্রদান করিতে হইবে।
৩৩৩। (১) এই আইনের অধীন আপিল বা আবেদন দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে, যেই তারিখে অভিযোগীয় বিষয়ে আদেশ জারি করা হইয়াছিল সেইদিন, বা করদাতাকে নোটিশ জারিকালে যদি আদেশের কপি সরবরাহ করা না হয়, তাহা হইলে তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে করদাতা কর্তৃক আদেশের কপি প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ দেওয়া হইবে।
(২) এই আইনের অধীন আপিল বা আবেদন দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির দিন যদি ছুটির দিন হয় তাহা হইলে আপিল বা আবেদন উক্ত ছুটির দিনের অব্যবহিত পরবর্তী দিন দাখিল করা যাইবে।
1[৩৩৪। এই আইনের অন্য কোনো বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন,-
(ক) বোর্ড, আদেশ দ্বারা, 2[রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ] অনধিক ১ (এক) মাস বৃদ্ধি করিতে পারিবে;
(খ) যেইক্ষেত্রে মহামারী, অতিমারী, দৈব দুর্বিপাক ও যুদ্ধকালীন সময় বিদ্যমান বলিয়া সরকারের ঘোষণা বা আদেশ রহিয়াছে সেইক্ষেত্রে বোর্ড, জনস্বার্থে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, আদেশ জারির মাধ্যমে, এই আইনের কোনো বিধান পরিপালনের সময়সীমা প্রমার্জন করিতে পারিবে বা পরিপালনের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে। না কেন, যেইক্ষেত্রে মহামারী, অতিমারী, দৈব দুর্বিপাক ও যুদ্ধকালীন সময় বিদ্যমান বলিয়া সরকারের ঘোষণা বা আদেশ রহিয়াছে সেইক্ষেত্রে বোর্ড, জনস্বার্থে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, আদেশ জারির মাধ্যমে, এই আইনের কোনো বিধান পরিপালনের সময়সীমা প্রমার্জন করিতে পারিবে বা পরিপালনের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে।]
৩৩৫। (১) কোনো নোটিশ, কর নির্ধারণ আদেশ, কর বা প্রত্যর্পণ পরিগণনার ফরম, বা অন্য কোনো দলিল তদোল্লিখিত নামীয় ব্যক্তিকে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে বা প্রেরকের অফিসিয়াল ইলেক্ট্রনিক মেইল হইতে উক্ত ব্যক্তির নির্ধারিত ইলেক্ট্রনিক মেইল এড্রেসে বা কোনো আদালত কর্তৃক Code of Civil Procedure, 1908 (Act V of 1908) এর অধীন সমন জারির পদ্ধতিতে, জারি করা যাইবে।
(২) ধারা ৩২৭ এ উল্লিখিত অনুমোদিত প্রতিনিধি কর্তৃক কোনো নোটিশ, কর নির্ধারণ আদেশ, কর বা প্রত্যর্পণ পরিগণনার ফরম, অথবা অন্য কোনো দলিল গ্রহণ করা হইলে উক্ত অনুমোদিত প্রতিনিধি কর্তৃক এইরূপ গ্রহণ উক্ত ব্যক্তির নিকট বৈধ প্রেরণ হিসাবে বিবেচিত হইবে।
(৩) নিম্নবর্ণিতভাবে নোটিশ প্রেরণ করা যাইবে, যথা:-
(ক) কোনো ফার্ম বা হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের ক্ষেত্রে, ফার্মের কোনো সদস্য, বা ব্যবস্থাপক বা পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের নিকট;
(খ) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা কোম্পানির ক্ষেত্রে, ইহার প্রধান নির্বাহী, উহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, এর নিকট;
(গ) অন্যান্য সংস্থা বা ব্যক্তিসংঘের ক্ষেত্রে, প্রধান নির্বাহী বা ইহার কোনো সদস্যের নিকট;
(ঘ) কোনো ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘ বিলোপিত হইয়া গেলে অনুরুপ বিলোপিত হইবার অব্যবহিত পূর্বে, ক্ষেত্রমত, উক্ত ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘের সদস্য ছিলেন এইরূপ যেকোনো ব্যক্তির নিকট;
(ঙ) ধারা ১৯১ প্রযোজ্য হয় এইরূপ কোনো ব্যবসা বন্ধ হইবার ক্ষেত্রে, যদি ব্যবসা বন্ধ থাকে তবে-
(অ) এইরূপ কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে, যাহার আয় নির্ধারণ করা হইবে;
(আ) এইরূপ কোনো কোম্পানির ক্ষেত্রে, উক্ত কোম্পানির প্রধান নির্বাহীর নিকট; এবং
(ই) এইরূপ কোনো ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘের ক্ষেত্রে, উক্ত ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘের কার্যক্রম বন্ধ হইবার সময় অংশীদার ছিলেন এইরূপ কোনো ব্যক্তির নিকট;
(চ) যেইক্ষেত্রে ধারা ১৯২ এর অধীন কোনো হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের বিভক্ত হইবার তথ্য পাওয়া যায়, উক্ত ক্ষেত্রে পরিবারের সর্বশেষ ব্যবস্থাপক ছিলেন এইরূপ ব্যক্তির নিকট অথবা যদি উক্তরূপ ব্যক্তির মৃত্যু হয় তাহা হইলে বিভক্তির পূর্বে উক্ত পরিবারের সদস্য ছিলেন এইরূপ সকল প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের নিকট; এবং
(ছ) অন্য কোনো ক্ষেত্রে, যাহা কোনো ব্যক্তি নহে, যিনি উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত বিষয়াদি পরিচালনা বা নিয়ন্ত্রণ করিতেন এইরূপ ব্যক্তির নিকট।
(৪) কোনো নোটিশের অধীন রিটার্ন দাখিল বা নোটিশ পরিপালন করিবার পর উক্তরূপ নোটিশের বৈধতা বা উহা জারির বৈধতা সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
ব্যাখ্যা- এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে,
(ক) “নোটিশ" অর্থে এই আইনের অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশ, নির্দেশ বা চাহিদাপত্র অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(খ) “ইলেক্ট্রনিক মেইল” অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এ সংজ্ঞায়িত কোনো ইলেক্ট্রনিক মেইল”;
(গ) “প্রেরকের অফিসিয়াল ইলেক্ট্রনিক মেইল” অর্থ নোটিশ প্রেরণের নিমিত্ত আয়কর কর্তৃপক্ষের জন্য বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ইলেক্ট্রনিক মেইল;
(ঘ) “ব্যক্তির নির্ধারিত ইলেক্ট্রনিক মেইল এড্রেস” অর্থ ইলেক্ট্রনিক মেইল এড্রেস;
(অ) সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষের জন্য দাখিলকৃত উক্ত ব্যক্তির রিটার্নে যেরূপে প্রদত্ত হইয়াছে;
(আ) কোনো ব্যক্তি কর্তৃক লিখিতভাবে আয়কর কর্তৃপক্ষের নিকট যেরূপে উক্তরূপ ব্যক্তির ইলেক্ট্রনিক মেইল এড্রেস উল্লেখ করিয়াছেন।
৩৩৬। এই আইনের অধীন প্রণীত, জারীকৃত বা নিষ্পন্নকৃত অথবা প্রণীত, জারীকৃত বা নিষ্পন্নকৃত মর্মে গণ্য হয় এইরূপ কোনো কর নির্ধারণ, আদেশ, নোটিশ, ওয়ারেন্ট বা অন্যান্য দলিল, কেবল নির্ধারিত কোনো ফর্মের অভাবে বা উহাতে কোনো ভুল, ক্রুটি বা বিচ্যুতি কারণে বাতিল বা অন্যভাবে অকার্যকর হইবে না যদি না উক্তরূপ ফর্মের অভাব, ভুল, ত্রুটি বা বিচ্যুতি করদাতাকে প্রকৃত অর্থে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
৩৩৭। কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, অবসায়নের আদেশপ্রাপ্ত বা সাময়িকভাবে অবসায়ক নিযুক্ত করা হইয়াছে, এইরূপ কোনো কোম্পানির ক্ষেত্রে এই আইনের অধীন কোনো কার্যক্রম চলমান রাখিতে বা কোনো কার্যক্রম শুরু করিবার জন্য “লিভ অব দি কোর্ট” প্রয়োজন হইবে না।
৩৩৮। (১) কোনো ব্যক্তি এই আইনের ক্ষমতাবলে অপর কোনো ব্যক্তির আয় হইতে কোনো কর কর্তন, সংগ্রহ, ধারণ বা পরিশোধ করিলে, উক্তরূপ কর কর্তন, সংগ্রহ, ধারণ বা পরিশোধের জন্য উক্ত ব্যক্তি দায়মুক্ত থাকিবেন।
(২) এই আইনের অধীন কৃত কোনো কর নির্ধারণ নাকচ বা সংশোধনের জন্য বা অন্য কোনো আদেশের জন্য কোনো দেওয়ানি আদালতে মামলা দায়ের করা যাইবে না।
(৩) এই আইনের অধীন সরল বিশ্বাসে কৃত কোনো কার্য বা কার্য করিবার উদ্যোগের জন্য কোনো সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অন্য কোনো আইনে ফৌজদারি মামলা দায়ের বা অন্য কোনো কার্যধারা গ্রহণ করা যাইবে না।
৩৩৯। যদি কোনো বৎসরের জুলাই মাসের প্রথম দিন সংসদের আইন দ্বারা উক্ত বৎসরের জন্য কর আরোপের লক্ষ্যে বিধান গৃহীত না হয়, তাহা হইলে সংসদে পেশকৃত বিলে প্রস্তাবিত বিধান বা পূর্ববর্তী বৎসরে কার্যকরকৃত বিধান, এই দুইয়ের মধ্যে যাহা করদাতার জন্য অধিক উপযোগী, উহা এই আইনের অধীন কার্যকর থাকিবে।
৩৪০। এই আইনের অন্যান্য বিধান বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বোর্ড, সরকারি গেজেটে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা, নিম্নরূপ ব্যক্তিগণকে পুরষ্কার প্রদান করিতে পারিবে, যথা:-
(ক) বোর্ড এবং আয়কর বিভাগের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর অসামান্য কর্মদক্ষতা, কর আদায় এবং কর ফাঁকি শনাক্তকরণের জন্য;
(খ) কোনো অর্থবৎসরে রাজস্ব আদায়ের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার অধিক রাজস্ব সংগ্রহের জন্য বোর্ড, এবং আয়কর বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণকে; অথবা
(গ) কর ফাঁকি সনাক্তকরণের লক্ষ্যে তথ্য সরবরাহকারী অন্য কোনো ব্যক্তিকে।
3[***]
৩৪২। এই আইনের কোনো বিধান কার্যকর করিবার ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা দেখা দিলে, বোর্ড, উক্ত অসুবিধা দূরীকরণের লক্ষ্যে, আইনের সহিত সামঞ্জস্য রাখিয়া, বিজ্ঞপ্তি, স্পষ্টীকরণ, ব্যাখ্যা বা নির্দেশনা প্রদান করিতে পারিবে।
৩৪৩। বোর্ড, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
৩৪৪। (১) এই আইন কার্যকর হইবার সঙ্গে সঙ্গে Income-tax Ordinance, 1984 (Ordinance No. XXXVI of 1984), অতঃপর রহিত Ordinance বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্দ্বারা রহিত হইবে।
(২) উক্তরূপ রহিতকরণ সত্ত্বেও, রহিত Ordinance এর অধীন-
(ক) কৃত কোনো কাজ-কর্ম, গৃহীত কোনো ব্যবস্থা বা সূচিত কোনো কার্যধারা এই আইনের অধীন কৃত, গৃহীত বা সূচিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে;
(খ) গৃহীত কোনো কার্যক্রম বা সূচিত কোনো কার্যধারা অনিষ্পন্ন বা চলমান থাকিলে এইরূপভাবে নিষ্পন্ন করিতে হইবে যেন উহা এই আইনের অধীন গৃহীত বা সূচিত হইয়াছে;
(গ) প্রণীত কোনো বিধি বা প্রদত্ত আদেশ বা নির্দেশ বা জারীকৃত প্রজ্ঞাপন বা নীতিমালা বা প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি বা সম্পাদিত অন্য কোনো আইনগত ইন্সট্রুমেন্ট, উক্তরূপ রহিতের অব্যবহিত পূর্বে বলবৎ থাকিলে, এই আইনের সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন রহিত বা সংশোধিত না হওয়া পর্যন্ত উহা বলবৎ থাকিবে; এবং
(ঘ) কোনো মামলা বা আইনগত কার্যধারা কোনো আদালতে চলমান থাকিলে উহা এইরূপভাবে নিষ্পত্তি করিতে হইবে যেন উক্ত Ordinance রহিত হয় নাই।
৩৪৫। (১) এই আইন কার্যকর হইবার পর সরকার, সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের মূল বাংলা পাঠের ইংরেজিতে অনুদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিবে।
(২) বাংলা ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।