প্রিন্ট

26/07/2026
আয়কর আইন, ২০২৩

আয়কর আইন, ২০২৩

( ২০২৩ সনের ১২ নং আইন )

পঞ্চম অধ্যায়

ব্যবসা 1[বা পেশা] হইতে আয়

ব্যবসা 2[বা পেশা] হইতে আয়

৪৫। করদাতার নিম্নবর্ণিত আয়সমূহ ব্যবসা 3[বা পেশা] হইতে আয় হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ হইবে, যথা:-

(ক) আয়বর্ষের যেকোনো সময়ে করদাতা কর্তৃক পরিচালিত বা পরিচালিত বলিয়া গণ্য ব্যবসায়ের কোনো লাভ ও মুনাফা;

4[(খ) কোনো ব্যবসায় বা পেশাজীবী সংগঠন বা এইরূপ কোনো সংগঠন কর্তৃক উহার সদস্য বা সদস্য নহে, এইরূপ সকলকে যেকোনো সেবা প্রদানের মাধ্যমে অর্জিত আয়;]

(গ) কোনো ব্যক্তির অতীত, বর্তমান বা সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় বা সম্পর্কের কারণে উদ্ভূত কোনো সুবিধার ন্যায্য বাজার মূল্য, তাহা অর্থে রূপান্তরযোগ্য হউক বা না হউক;

(ঘ) কোনো ব্যবস্থাপনা কোম্পানি, মুদারাবা ব্যবস্থাপনা কোম্পানিসহ, কর্তৃক উদ্ভূত কোনো ব্যবস্থাপনা ফি;

(ঙ) নিজের অথবা অন্যের মালিকানাধীন কোনো পরিসম্পদ অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট লীজ প্রদানের বিপরীতে লীজদাতা ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রাপ্য কোনো অর্থ;

(চ) তৃতীয় তফসিল সাপেক্ষে মুদ্রা বিনিময় হইতে নগদায়িত লাভ (realized gain);

(ছ) বন্ধ হইয়া যাওয়া কোনো ব্যবসা 5[বা পেশা] হইতে আয়বর্ষে গৃহীত কোনো আয়।

ব্যবসা 6[বা পেশা] হইতে আয়ের বিশেষ ক্ষেত্রসমূহ

৪৬। (১) ধারা ৪৫ এর সামগ্রিকতাকে ক্ষুণ্ন না করিয়া, বিশেষ ক্ষেত্রে, ব্যবসা 7[বা পেশা] হইতে আয় পরিগণনার ক্ষেত্রে এই ধারার বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

(২) করদাতার যে ব্যবসায়ের জন্য আয় পরিগণিত হইতেছে সেই ব্যবসায়ে ব্যবহৃত কোনো পরিসম্পদ যদি কোনো আয়বর্ষে বিক্রয় করা হয়, তাহা হইলে উক্ত বিক্রয়লব্ধ আয়ের পরিমাণ হইবে নিম্নরূপ, যথা:-

 

ক্রমিক নং

বিক্রয়লব্ধ অর্থ

আয়ের পরিমাণ

()

()

(৩)

১।

বিক্রয়লব্ধ অর্থ যদি পরিসম্পদের অর্জন মূল্য হইতে অধিক হয়

- এর সমপরিমাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে করদাতারমূলধনি আয়শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে;

 

- এর সমপরিমাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে করদাতার ‘ব্যবসা 8[বা পেশা] হইতে আয়শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে

 

২।

বিক্রয়লব্ধ অর্থ যদি পরিসম্পদের অর্জন মূল্য হইতে অধিক না হয়, তবে অবলোপিত মূল্য হইতে অধিক হয়

- এর সমপরিমাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে করদাতার  ‘ব্যবসা 9[বা পেশাহইতে আয়শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে

 

 

 

(৩) করদাতার ব্যবসায়ে ব্যবহৃত হইবার পর কোনো পরিসম্পদ পরিত্যক্ত, নিশ্চিহ্ন বা ধ্বংস হইবার কারণে কোনো বিমা, স্যালভেজ বা ক্ষতিপূরণ হিসাবে কোনো অর্থ প্রাপ্ত হইলে তাহার পরিমাণ যদি উক্ত সম্পদের অবলোপিত মূল্যের চাইতে অধিক হয় তাহা হইলে এই ক্ষেত্রে আয়ের অঙ্ক হইবে নিম্নরূপ, যথা:-

 

ক্রমিক নং

10[বিক্রয়লব্ধ অর্থ]

আয়ের পরিমাণ

()

()

()

১।

বিমা, স্যালভেজ বা ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ যদি পরিসম্পদের অর্জন মূল্য হইতে অধিক হয়

- এর সমপরিমাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে সংশ্লিষ্ট করদাতারমূলধনি আয়শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে;

 

- এর সমপরিমাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে সংশ্লিষ্ট করদাতার ‘ব্যবসা 11[বা পেশা] হইতে আয়শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে

 

২।

বিমা, স্যালভেজ বা ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ যদি পরিসম্পদের অর্জন মূল্য হইতে অধিক না হয়, তবে অবলোপিত মূল্য হইতে অধিক হয়

যেইক্ষেত্রে >, সেইক্ষেত্রে - এর সমপরমিাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে সংশ্লিষ্ট করদাতার ‘ব্যবসা 12[বা পেশা] হইতে আয়শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে;

 

যেইক্ষেত্রে <, সেইক্ষেত্রে - এর সমপরমিাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে সংশ্লিষ্ট করদাতারব্যবসা 13[বা পেশাহইতে আয়পরিগণনার ক্ষেত্রে ধারা ৪৯ এর অধীন ব্যয় হিসাবে অনুমোদিত হইবে

 

 

 

(৪) উপ-ধারা (২) এবং (৩) এর সারণির কলাম (২) অনুসারে বিক্রয়লব্ধ অর্থ বা, ক্ষেত্রমত, পরিসম্পদের বিপরীতে বিমা, স্যালভেজ বা ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রাপ্ত অর্থ এবং অবলোপিত মূল্যের পার্থক্য ঋণাত্মক হইলে ফলাফল ব্যবসা 14[বা পেশা] হইতে আয় খাতে ব্যয়িত বলিয়া গণ্য হইবে এবং উহা অনুমোদিত সাধারণ বিয়োজনের অন্তর্ভুক্ত হইবে।

(৫) উপ-ধারা (২) এবং (৩) এর সারণীতে বর্ণিত-

ক = পরিসম্পদের বিপরীতে বিমা, স্যালভেজ বা ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রাপ্ত অর্থ 15[বা বিক্রয়লব্ধ অর্থ],

খ = পরিসম্পদের অর্জন মূল্য, এবং

গ = তৃতীয় তফসিলের অধীন অবচয় অনুমোদনের পর পরিসম্পদের গণনাকৃত অবলোপিত মূল্য,

-কে বুঝাইবে।

(৬) যদি কোনো রপ্তানিকারক করদাতা সরকার কর্তৃক তাহার অনুকূলে বণ্টনকৃত রপ্তানি কোটার সম্পূর্ণ বা আংশিক কোনো আয়বর্ষে অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট হস্তান্তর করিয়া থাকেন, তাহা হইলে এইরূপ হস্তান্তরিত কোটার আনুপাতিক রপ্তানি মূল্য উক্ত আয়বর্ষে করদাতার ব্যবসা 16[বা পেশা] হইতে আয় শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে।

 

17[(৬ক) যদি কোনো আয়বর্ষে এই অধ্যায়ের অধীন আয় পরিগণনায় কোনো ব্যক্তির নিকট প্রদেয় সুদ বা মুনাফা বাবদ কোনো খরচ বিয়োজিত হয় এবং যে আয়বর্ষে বিয়োজিত হইয়াছে তাহা শেষ হইবার পরবর্তী ৩ (তিন) বৎসরের মধ্যে যদি উক্ত সুদ বা মুনাফা পরিশোধ করা না হয় তাহা হইলে বর্ণিত ৩ (তিন) বৎসর সমাপ্তির পরবর্তী আয়বর্ষে উক্ত সুদ বা মুনাফার অপরিশোধিত অঙ্ক করদাতার ব্যবসা বা পেশা হইতে আয় শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, আয় হিসাবে গণ্য হইয়াছে এইরূপ কোনো সুদ বা মুনাফা যদি পরবর্তী কোনো বৎসরে পরিশোধ করা হয়, তাহা হইলে উক্ত পরিশোধ সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে উক্ত অঙ্ক করদাতার আয় পরিগণনা হইতে বাদ যাইবে।]

18[***]

(৮) কোনো আয়বর্ষে এই অধ্যায়ের অধীন আয় পরিগণনায় যদি করদাতার কোনো ট্রেডিং দায় হিসাবে নেওয়া হয় এবং–

(ক) পরবর্তী কোনো আয় উক্ত আয়বর্ষে করদাতা যদি ট্রেডিং দায় বাবদ কোনো সুবিধা প্রাপ্ত হয় তাহা হইলে সেই সুবিধার অর্থমূল্য সুবিধা প্রাপ্তির আয়বর্ষে করদাতার ব্যবসা 19[বা পেশা] হইতে আয় শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে;

(খ) উক্ত ট্রেডিং দায় যেই আয়বর্ষে হিসাবে নেওয়া হইয়াছে তাহা শেষ হইবার পরবর্তী ৩ (তিন) বৎসরের মধ্যে যদি ট্রেডিং দায় বা তাহার কোনো অংশ অপরিশোধিত থাকে তাহা হইলে উক্ত অপরিশোধিত ট্রেডিং দায় উক্ত ৩ (তিন) বৎসর সমাপ্তির পরবর্তী আয়বর্ষে করদাতার ব্যবসা 20[বা পেশা] হইতে আয় শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, আয় হিসাবে গণ্য হইয়াছে এইরূপ কোনো ট্রেডিং দায় যদি পরবর্তী কোনো বৎসরে পরিশোধ করা হয় তাহা হইলে পরিশোধ সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে সেই অঙ্ক করদাতার আয় পরিগণনায় বাদ যাইবে।

(৯) যদি কোনো আয়বর্ষে এই অধ্যায়ের অধীন আয় পরিগণনায় লোকসান, কুঋণ বা কোনো খরচ বিয়োজিত হয় এবং পরবর্তী কোনো আয়বর্ষে করদাতা যদি সেই বিয়োজিত লোকসান, কুঋণ বা খরচ বাবদ কোনো সুবিধা প্রাপ্ত হন তাহা হইলে সেই সুবিধার অর্থমূল্য সুবিধা প্রাপ্তির আয়বর্ষে করদাতার ব্যবসা 21[বা পেশা] হইতে আয় শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে।

22[(১০) ধারা ১৮০ এর অধীন রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে যে আয়বর্ষের রিটার্ন দাখিল হইয়াছে তাহার পরবর্তী ৫ (পাঁচ) আয়বর্ষের মধ্যে যেকোনো সময়ে প্রদর্শিত প্রারম্ভিক মূলধনের যেকোনো পরিমাণের ঘাটতি ব্যবসা 23[বা পেশা] সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে “ব্যবসা 24[বা পেশা] হইতে আয়” হিসাবে গণ্য হইবে।]

(১১) কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আয় পরিগণনার ক্ষেত্রে, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক কুঋণ বা সন্দেহজনক ঋণ হিসাবে শ্রেণিবিন্যাসকৃত ঋণের উপর সুদ বা মুনাফা আয় যেই আয়বর্ষে 25[লাভ-ক্ষতি হিসাব (আয় বিবরণী) এ] ক্রেডিট প্রদান করা হইবে, অথবা যেই আয়বর্ষে প্রকৃতভাবে গৃহীত হইবে, দুইয়ের মধ্যে যাহা আগে হয় সেই আয়বর্ষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা 26[বা পেশা] হইতে আয় শ্রেণির আয় হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হইবে।

 

27[(১১ক) ধারা ৫২ এর উপ-ধারা (২) এর শর্তাংশ অনুযায়ী, ব্যাংক, ফাইন্যান্স ও লিজিং কোম্পানি ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তাহার কোনো সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে, প্রদানকৃত ঋণের বিপরীতে প্রাপ্ত সুদের পরিমাণ, বার্ষিক ১২% (বারো শতাংশ) অপেক্ষা কম হইলে, যে পরিমাণে কম সুদ প্রাপ্ত হইবে, সেই পরিমাণ অঙ্ক সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে উক্ত ব্যক্তির “ব্যবসা বা পেশা হইতে আয়” হিসাবে গণ্য হইবে।

(১১খ) ধারা ৬৬ এর দফা (ক) এর শর্তাংশে উল্লিখিত আয় সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে “ব্যবসা বা পেশা হইতে আয়” হিসাবে গণ্য হইবে।]

(১২) এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে,-

(ক) বিক্রয়ের পূর্বে পরিসম্পদটি যে ব্যবসায়ে ব্যবহৃত হইয়াছে, সেই ব্যবসা পরিসম্পদ বিক্রয়-সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে করদাতা কর্তৃক পরিচালিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে;

(খ) করদাতার ব্যবসায় ব্যবহৃত হইবার পর কোনো পরিসম্পদ বাংলাদেশের বাহিরে রপ্তানি বা স্থানান্তরিত হইলে, উক্ত রপ্তানির বা স্থানান্তরের তারিখই পরিসম্পদ বিক্রয়ের তারিখ বলিয়া গণ্য হইবে এবং সম্পদের 28[রপ্তানি মূল্যকে] উহা বিক্রয় বাবদ প্রাপ্ত অর্থ বলিয়া বিবেচনা করা হইবে।

কতিপয় ব্যবসায়ের মুনাফা পরিগণনা

৪৭। নিম্নবর্ণিত সারণির কলাম (২) এ উল্লিখিত ব্যবসায়ের মুনাফা সারণির কলাম (৩) এ বর্ণিত তফসিলের বিধান অনুসারে পরিগণনা করা হইবে, যথা:-

 

সারণি

 

ক্রমিক নং

ব্যবসা

তফসিল

()

()

()

বিমা ব্যবসা

চতুর্থ তফসিল

প্রাকৃতিক গ্যাস, খনিজ তৈল বা অন্যান্য খনিজ উত্তোলন অনুসন্ধান

পঞ্চম তফসিল

ব্যবসা 29[বা পেশা] হইতে আয় গণনার ক্ষেত্রে অনুমোদনযোগ্য সাধারণ বিয়োজনসমূহ।-

৪৯। এই আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, কোনো আয়বর্ষে কোনো ব্যক্তির ব্যবসা 30[বা পেশা] হইতে আয় পরিগণনার ক্ষেত্রে প্রত্যেক স্বতন্ত্র এবং ভিন্ন ব্যবসায়ের জন্য নিম্নবর্ণিত ব্যয়সমূহ সাধারণ বিয়োজনের অন্তর্ভুক্ত হইবে, যথা:-

(ক) কাঁচামাল, মজুদ, ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে ও ব্যবসায়ে ব্যবহারের নিমিত্ত পণ্য ক্রয় বাবদ ব্যয় এবং কোনো অবলোপিত মজুদ ব্যয়;

(খ) এই আইন ও দানকর আইন, ১৯৯০ (১৯৯০ সনের ৪৪ নং আইন) এর অধীন পরিশোধিত নহে, তবে ব্যবসার উদ্দেশ্যে পরিশোধিত এইরূপ শুল্ক-করাদি, পৌর কর, স্থানীয় কর, ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনা ও সরকারি ফি;

(গ) ব্যবসার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমি বা আঙ্গিনার জন্য পরিশোধযোগ্য ভাড়া, উন্নয়ন ও সংরক্ষণ ব্যয়;

(ঘ) এই আইনের অধীন চাকরি হইতে আয় হিসাবে পরিগণিত হয় এইরূপ সকল প্রকার ব্যয়, কল্যাণ ব্যয় বা পারিশ্রমিক;

(ঙ) মেরামত ও সংরক্ষণ ব্যয়;

(চ) ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে 31[ও কর্মীদের জন্য] কৃত ও পরিশোধিত বিমা প্রিমিয়াম;

(ছ) বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ অন্যান্য পরিষেবা ব্যয়;

(জ) পণ্য পরিবহণ, ক্লিয়ারিং এবং ফরওয়ার্ডিং চার্জ;

(ঝ) বিক্রয় সংশ্লিষ্ট কমিশন, দালালি, ডিসকাউন্ট বা ওয়ারেন্টি চার্জ প্রকৃতির ব্যয়;

(ঞ) বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা ব্যয়;

(ট) কর্মীদের প্রশিক্ষণ বাবদ ব্যয়;

(ঠ) বিক্রয় প্রতিনিধিদের সম্মেলন, হোটেল ও আবাসন বাবদ ব্যয়;

(ড) যাতায়াত ও ভ্রমণ বাবদ ব্যয়;

(ঢ) ইন্টারনেট সেবা, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত ব্যয়;

(ণ) আইনি সেবা, নিরীক্ষা সেবা ও অন্যান্য পেশাদারী সেবা গ্রহণ সংক্রান্ত ব্যয়;

(ত) আপ্যায়ন ও অতিথিশালা সংক্রান্ত ব্যয়;

(থ) তৃতীয় তফসিল সাপেক্ষে, বৈদেশিক মুদ্রার নগদায়িত বিনিময় 32[লোকসান];

(দ) কোনো ক্লাব বা বাণিজ্যিক সমিতিতে প্রবেশ ফি-সহ তাহাদের সুবিধাদির ব্যবহারের জন্য চাঁদা;

(ধ) সরকার কর্তৃক স্পন্সরকৃত কোনো ট্রেড ডেলিগেশনের সদস্য হিসাবে বিদেশে সফর সম্পর্কিত কোনো নির্বাহকৃত ব্যয়;

(ন)রয়্যালটি, কারিগরি ফি, হেড অফিস ব্যয়;

33[(প) শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ২৩৪ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) অনুযায়ী অংশগ্রহণ তহবিল, কল্যাণ তহবিল এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ২৫ নং আইন) এর ধারা ১৪ এর অধীন স্থাপিত শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে প্রদেয় অর্থ যাহা প্রদর্শিত নীট ব্যবসায়িক মুনাফার ৫% (পাঁচ শতাংশ) এর অধিক নহে;]

(ফ) সম্পূর্ণ ও একান্তভাবে ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে নির্বাহকৃত অন্যান্য ব্যয়।

ব্যবসা 34[বা পেশা] হইতে আয় পরিগণনার ক্ষেত্রে অনুমোদনযোগ্য বিশেষ বিয়োজনসমূহ

৫০। (১) নিম্নবর্ণিত ব্যয়সমূহ তৃতীয় তফসিলে বর্ণিত অনুমোদিত সীমা ও শর্ত অনুযায়ী বিয়োজনযোগ্য হইবে, যথা:-

(ক) সাধারণ অবচয় ভাতা;

(খ) প্রারম্ভিক অবচয় ভাতা;

(গ) ত্বরান্বিত অবচয় ভাতা;

(ঘ) অ্যামোর্টাইজেশন ভাতা; এবং

(ঙ) গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যয়।

(২) তৃতীয় তফসিলে বর্ণিত কোনো পরিসম্পদ যদি কোনো আয়বর্ষে বিক্রয় করা হয় এবং সেই বিক্রয়লব্ধ অর্থ যদি অবলোপিত মূল্য অপেক্ষা কম হয়, তাহা হইলে করদাতা কর্তৃক বিয়োজন দাবি সাপেক্ষে, অবলোপিত মূল্য এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থের পার্থক্যের সমপরিমাণ অঙ্ক।

(৩) ধারা ৫১ অনুযায়ী অনুমোদিত কুঋণ ব্যয় ব্যবসা 35[বা পেশা] হইতে আয় গণনার ক্ষেত্রে বিয়োজিত হইবে।

(৪) ধারা ৫২ ও ৫৩ অনুযায়ী অনুমোদিত সুদ ব্যয় ব্যবসা 36[বা পেশা] হইতে আয় গণনার ক্ষেত্রে বিয়োজিত হইবে।

সুদ বা মুনাফার বিশেষ বিয়োজন পরিগণনা

৫২। (১) ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে ধারকৃত কোনো মূলধনের উপর কোনো সুদ পরিশোধ বা, ক্ষেত্রমত, কোনো মুনাফা ভাগের অর্থ 37[পরিশোধিত বা প্রদেয়] হইলে তাহা ব্যবসায়িক ব্যয় হিসাবে অনুমোদিত হইবে।

(২) যদি দেখা যায় যে, ধারকৃত অর্থের কোনো অংশ ব্যবসায়ের বাহিরে অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হইয়াছে বা ধারকৃত অর্থে অর্জিত সম্পদের কোনো অংশ ব্যবসায়ের বাহিরে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা হইয়াছে যেখানে অর্থলগ্নী করা স্থানান্তরকারীর ব্যবসা নহে, তাহা হইলে উক্ত অর্থ বা সম্পদের যে অংশ ব্যবসায়ের কাজে ব্যবহার করা হইয়াছে সেই অংশের আনুপাতিক হারে সুদ বা মুনাফা ব্যয় অনুমোদিত হইবে 38[:]

 

39[তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ৪৬ এর উপ-ধারা (১১ক) এর প্রযোজ্যতা সাপেক্ষে, ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে ধারকৃত অর্থের কোনো অংশ কোনো সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে ঋণ প্রদান করা হইলে ধারকৃত অর্থের সেই অংশের সুদ বা মুনাফা ব্যয়, ব্যবসায়িক ব্যয় হিসাবে অনুমোদিত হইবে।]

সুদ অনুমোদনের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান

40[৫৩।  এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ব্যাংক, ফাইন্যান্স ও লিজিং কোম্পানি ব্যতীত কোনো নিবাসী ব্যক্তি কর্তৃক কোনো সহযোগী প্রতিষ্ঠান হইতে গৃহীত ঋণের বিপরীতে কোনো করবর্ষে সুদ পরিশোধ করিলে, তাহা ব্যবসায়িক ব্যয় হিসাবে অনুমোদিত হইবে।]

বিয়োজন অনুমোদনের সাধারণ শর্তাবলি

৫৪। (১) কোনো আয়বর্ষে এই অধ্যায়ের অধীন এইরূপ কোনো ব্যয় যদি বিয়োজন হিসাবে অনুমোদিত হয় যাহা সর্ম্পূণ বা আংশিকভাবে কোনো পরিসম্পদের প্রতিনিধিত্ব করে তাহা হইলে উক্ত পরিসম্পদ বাবদ একই আয়বর্ষে আর কোনো বিয়োজন অনুমোদনযোগ্য হইবে না।

(২) ধারা ৪৯ এর অধীন কোনো ব্যয় অনুমোদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের বাণিজ্যিক যৌক্তিকতা বিবেচনা করা হইবে এবং নিম্নবর্ণিত বিষয়াদি বাণিজ্যিক যৌক্তিকতা বিবেচনার ক্ষেত্রে আমলে লওয়া হইবে, যথা:-

(ক) যদি নির্বাহকৃত ব্যয় ব্যবসা 41[বা পেশা] হইতে আয় অর্জনের উদ্দেশ্যে করা হয়;

(খ) যদি নির্বাহকৃত ব্যয় রাজস্ব প্রকৃতির হয়; এবং

(গ) যদি নির্বাহকৃত ব্যয় সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতিতে যুক্তিসংগত হয়।

কতিপয় ক্ষেত্রে বিয়োজন অনুমোদনযোগ্য না হওয়া

৫৫। এই অধ্যায়ে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে 42[ব্যবসা বা পেশা হইতে আয় পরিগণনায় ধারা ৪৯, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩ ও ৫৪ এর শর্ত পরিপালন সত্ত্বেও] নিম্নবর্ণিত বিয়োজনসমূহ অনুমোদনযোগ্য হইবে না, যথা:-

43[***]

(খ) কোনো ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘ কর্তৃক ফার্মের কোনো অংশীদার বা ব্যক্তিসংঘের কোনো সদস্যকে প্রদত্ত সুদ, বেতন, কমিশন বা পারিতোষিক;

(গ) কোনো কোম্পানি কর্তৃক 44[স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার, ডিরেক্টর শেয়ারহোল্ডার বা প্লেসমেন্ট শেয়ারহোল্ডারকে] কোনো কমিশন বা ডিসকাউন্ট প্রদান;

(ঘ) ধারা ৩২ এর ব্যাখ্যাতে সংজ্ঞায়িত পারকুইজিট বাবদ কোনো কর্মচারীকে প্রদত্ত 45[২৫ (পঁচিশ)] লক্ষ টাকার অতিরিক্ত যেকোনো অঙ্ক:

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার কর্তৃক, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, সরকারি সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে গঠিত মজুরি বোর্ডের সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য কর্মচারীদের অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না;

(ঙ) রয়্যালটি, লাইসেন্স ফি, কারিগরি সেবা ফি, কারিগরি কৌশল বাবদ ফি, কারিগরি সহায়তা ফি বা স্পর্শাতীত সম্পত্তি ব্যবহার বাবদ নির্বাহকৃত সমপ্রকৃতির অন্য যেকোনো ফি বাবদ মোট ব্যয়সমষ্টির ক্ষেত্রে আর্থিক বিবরণীতে প্রদর্শিত 46[ব্যবসায়িক টার্নওভার এর ৬% (ছয় শতাংশ) অথবা নীট ব্যবসায় মুনাফার ১৫% (পনের শতাংশ), যেটি কম,] এর অতিরিক্ত ব্যয়;

(চ) বাংলাদেশে নিবন্ধিত নহে এইরূপ কোনো কোম্পানি কর্তৃক নির্বাহকৃত হেড অফিস অথবা ইন্ট্রা-গ্রুপ ব্যয়, তাহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, এর ক্ষেত্রে আর্থিক বিবরণীতে প্রদর্শিত নীট ব্যবসায় মুনাফার ১০% (দশ শতাংশ) এর অতিরিক্ত ব্যয়;

(ছ) ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বিদেশ ভ্রমণ সম্পর্কিত ব্যয়ের ক্ষেত্রে আর্থিক বিবরণীতে প্রদর্শিত ব্যবসায়িক টার্নওভারের ০.৫% (শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ) এর অতিরিক্ত অঙ্ক:

তবে শর্ত থাকে যে, করদাতা সরকারকে কোনো সেবা প্রদানের কাজে বিদেশ ভ্রমণ করিলে সেইক্ষেত্রে এই সীমা প্রযোজ্য হইবে না:

আরও শর্ত থাকে যে, এই দফায় অধীন পরিগণিত অতিরিক্ত অঙ্কের সমর্থনে প্রমাণাদি উপস্থাপন করিলে এবং উহার বাণিজ্যিক যৌক্তিকতা প্রমাণিত হইলে এই দফায় প্রদত্ত সীমা প্রযোজ্য হইবে না;

47[(জ) আপ্যায়ন ব্যয় হিসাবে নিম্নবর্ণিত অঙ্কের অতিরিক্ত অঙ্ক-

(অ) আপ্যায়ন ব্যয় বিয়োজন ব্যতীত নিরূপিত ব্যবসায় আয়ের ৪% (চার শতাংশ); এবং

(আ) দাবিকৃত খরচ,

এর মধ্যে যাহা কম;]

(ঝ) ফ্রি স্যাম্পল বিতরণে নিম্নবর্ণিত অঙ্কের অতিরিক্ত অঙ্ক-

48[(অ) ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পের ক্ষেত্রে-

(১) ব্যবসায়িক টার্নওভারের ১০ (দশ) কোটি টাকা পর্যন্ত ২% (দুই শতাংশ) হারে;

(২) ব্যবসায়িক টার্নওভার ১০ (দশ) কোটি টাকার অধিক, তবে ২০ (বিশ) কোটি টাকার অধিক নহে এইরূপ ক্ষেত্রে ১.৫% (এক দশমিক পাঁচ শতাংশ) হারে;

(৩) ব্যবসায়িক টার্নওভার ২০ (বিশ) কোটি টাকার অধিক এইরূপ ক্ষেত্রে ১% (এক শতাংশ) হারে;

(৪) করদাতার দাবিকৃত ফ্রি স্যাম্পল বিতরণ খরচ,

এর মধ্যে যাহা কম;]

(আ) খাদ্য, প্রসাধনী ও সুগন্ধি শিল্পের ক্ষেত্রে-

(১) ব্যবসায়িক টার্নওভারের ৫ (পাঁচ) কোটি টাকা পর্যন্ত ১% (এক শতাংশ) হারে;

(২) ব্যবসায়িক টার্নওভার ৫ (পাঁচ) কোটি টাকার অধিক, তবে ১০ (দশ) কোটি টাকার অধিক নহে এইরূপ ক্ষেত্রে ০.৫% (শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ) হারে;

(৩) ব্যবসায়িক টার্নওভার ১০ (দশ) কোটি টাকার অধিক এইরূপ ক্ষেত্রে ০.২৫% (শূন্য দশমিক দুই পাঁচ শতাংশ) হারে;

(ই) অন্যান্য শিল্পের ক্ষেত্রে-

(১) ব্যবসায়িক টার্নওভারের ৫ (পাঁচ) কোটি টাকা পর্যন্ত ০.৫% (শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ) হারে;

(২) ব্যবসায়িক টার্নওভার ৫ (পাঁচ) কোটি টাকার অধিক কিন্তু ১০ (দশ) কোটি টাকার অধিক নহে এইরূপ ক্ষেত্রে ০.২৫% (শূন্য দশমিক দুই পাঁচ শতাংশ) হারে;

(৩) ব্যবসায়িক টার্নওভার ১০ (দশ) কোটি টাকার অধিক এইরূপ ক্ষেত্রে ০.১% (শূন্য দশমিক এক শতাংশ) হারে;

(ঞ) বিজ্ঞাপন ব্যতীত অন্যান্য প্রচারণামূলক ব্যয়ের ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক টার্নওভারের 49[১% (এক শতাংশ)] এর অধিক অঙ্ক;

(ট) কর্মচারীর চাকরি হইতে আয় বলিয়া বিবেচিত এইরূপ কোনো অর্থ যদি ব্যাংকিং মাধ্যমে পরিশোধ না হইয়া অন্য কোনো মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়;

(ঠ) কোনো পরিশোধ যাহা ভাড়া হইতে আয় বলিয়া বিবেচিত তাহা ব্যাংকিং মাধ্যমে পরিশোধ না হইয়া অন্য কোনো মাধ্যমে পরিশোধ হইয়া থাকিলে উক্ত পরিশোধিত অর্থ;

50[(ড) দফা (ট), (ঠ) এবং কাঁচামাল ব্যতীত অন্যান্য সকল প্রকার ব্যয় বাবদ মোট পরিশোধের ৫০% (পঞ্চাশ শতাংশ) এর অধিক ব্যাংকিং মাধ্যম ব্যতীত অন্য কোনো মাধ্যমে পরিশোধিত হইয়া থাকিলে অন্য মাধ্যমে পরিশোধিত মোট অঙ্কের ২৫% (পঁচিশ শতাংশ);]

51[***]

(ণ) ধারা ২৬৪ এর উপ-ধারা (৩) এর দফা 52[২৪, ২৬, ২৭, ৩৩, ৩৬ ও ৩৭] অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দাখিলে বাধ্য এইরূপ কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধিত কোনো অঙ্ক, যদি অর্থ পরিশোধের সময় উক্ত ব্যক্তি রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দাখিলে ব্যর্থ হয় 53[:]

 

54[তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ১৪২ এর বিধানাবলি পরিপালন সাপেক্ষে এই দফার বিধান প্রযোজ্য হইবে না।]

(ত)মূলধনি প্রকৃতির কোনো ব্যয় কিংবা করদাতার ব্যক্তিগত কোনো ব্যয়;

(থ) 55[কোনো বিয়োজন বা কোনো দায়ের বিপরীতে সৃষ্ট কোনো বিয়োজন] যাহা সুস্পষ্টভাবে নিরূপিত নহে;

(দ) ব্যবসায়িক কর্মকান্ডের সহিত সম্পর্কিত নহে এইরূপ সকল প্রকার ব্যয়;

(ধ) International Financial Reporting Standard মোতাবেক কোনো পরিসম্পদের Right of Use বাবদ দাবিকৃত কোনো অবচয় ভাতা ও সুদ বিয়োজন:

তবে শর্ত থাকে যে, এই ক্ষেত্রে ব্যবসার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত 56[পরিসম্পদের] জন্য পরিশোধযোগ্য ভাড়া, উন্নয়ন ও সংরক্ষণ ব্যয় অনুমোদন করিতে হইবে;

(ন) ধারণাগত পরিসম্পদ অনিষ্টজনিত 57[লোকসান] (impairment loss);

58[(প) এই আইনে অনুমোদন গ্রহণের বিধান রহিয়াছে কিন্তু অনুমোদন গ্রহণ করা হয় নাই এইরূপ কোনো তহবিলে প্রদত্ত অর্থ;]

(ফ) নির্ধারিত পদ্ধতিতে হিসাবরক্ষণের বিধান পরিপালন না হইলে প্রমাণকহীন সকল খরচ।

ব্যাখ্যা।– এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে,-

(অ) “নীট ব্যবসায় মুনাফা” অর্থ কোনো সত্তা কর্তৃক সরাসরি পরিচালিত ব্যবসায়িক মুনাফা, তবে কোনো সাবসিডিয়ারি, অ্যাসোসিয়েট বা জয়েন্ট ভেঞ্চার হইতে অর্জিত মুনাফা ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে না;

(আ)“প্রচারণামূলক ব্যয়” অর্থ ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে কাউকে কোনো বস্তু, অর্থ বা অন্য কোনো প্রকারের সুবিধার প্রদানের বিপরীতে দাবিকৃত ব্যবসায়িক খরচ দাবি, তবে বিজ্ঞাপন ব্যয় ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে না।


  • 1
    “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪০ ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 2
    উপান্তটীকায় “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪১(ক) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 3
    “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪১(খ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 4
    দফা (খ) অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪১(গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 5
    “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪১(ঘ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 6
    উপান্তটীকায় “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(ক) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 7
    “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(খ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 8
    ক্রমিক নং (১) এর বিপরীতে কলাম (৩) এ “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(গ)(অ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 9
    ক্রমিক নং (২) এর বিপরীতে কলাম (৩) এ “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(গ)(আ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 10
    “বিক্রয়লব্ধ অর্থ” শিরোনামটি “ক্রয়লব্ধ অর্থ” শিরোনামের পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৪ (২০২৪ সনের ৫ নং আইন) এর ২৩(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা ২০২৪ সনের ১ জুলাই হইতে কার্যকর।
  • 11
    ক্রমিক নং (১) এর বিপরীতে কলাম (৩) এ “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(ঘ)(অ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 12
    ক্রমিক নং (২) এর বিপরীতে কলাম (৩) এ “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(ঘ)(আ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 13
    ক্রমিক নং (২) এর বিপরীতে কলাম (৩) এ “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(ঘ)(আ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 14
    “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(ঙ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 15
    “বা বিক্রয়লব্ধ অর্থ” শব্দগুলি “প্রাপ্ত অর্থ” শব্দগুলির পর অর্থ আইন, ২০২৪ (২০২৪ সনের ৫ নং আইন) এর ২৩(খ) ধারাবলে সংযোজিত যাহা ২০২৪ সনের ১ জুলাই হইতে কার্যকর।
  • 16
    “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(চ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 17
    উপ-ধারা (৬ক) অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(ছ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 18
    উপ-ধারা (৭) অর্থ আইন, ২০২৪ (২০২৪ সনের ৫ নং আইন) এর ২৩(গ) ধারাবলে বিলুপ্ত যাহা ২০২৪ সনের ১ জুলাই হইতে কার্যকর।
  • 19
    “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(জ)(অ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 20
    “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(জ)(আ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 21
    “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(ঝ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 22
    উপ-ধারা (১০) অর্থ (২০২৫-২০২৬ অর্থ বৎসর) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৯ নং আইন) এর ৪৭(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 23
    “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(ঞ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 24
    “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(ঞ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 25
    “লাভ-ক্ষতি হিসাব (আয় বিবরণী) এ” শব্দগুলি, চিহ্ন ও বন্ধনী “লাভ ক্ষতির হিসাবে” শব্দগুলির পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(ট)(অ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 26
    “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(ট)(আ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 27
    উপ-ধারা (১১ক) ও (১১খ) অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪২(ঠ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 28
    “রপ্তানি মূল্যকে” শব্দগুলি “ক্রয়মূল্যকে” শব্দের পরিবর্তে অর্থ (২০২৫-২০২৬ অর্থ বৎসর) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৯ নং আইন) এর ৪৭(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 29
    উপান্তটীকায় “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৩(ক) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 30
    “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৩(খ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 31
    “ও কর্মীদের জন্য” শব্দগুলি “উদ্দেশ্যে” শব্দের পর অর্থ (২০২৫-২০২৬ অর্থ বৎসর) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৯ নং আইন) এর ৪৮ ধারাবলে সন্নিবেশিত।
  • 32
    “লোকসান” শব্দ “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৩(গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 33
    দফা (প) অর্থ আইন, ২০২৪ (২০২৪ সনের ৫ নং আইন) এর ২৪ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা ২০২৪ সনের ১ জুলাই হইতে কার্যকর।
  • 34
    উপান্তটীকায় “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৪(ক) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 35
    “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৪(খ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 36
    “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৪(গ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 37
    “পরিশোধিত বা প্রদেয়” শব্দগুলি “পরিশোধ করা” শব্দগুলির পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৫(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 38
    “:” কোলন চিহ্ন “।” দাঁড়ি চিহ্নের পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৫(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 39
    শর্তাংশ অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৫(খ) ধারাবলে সংযোজিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 40
    ধারা ৫৩ অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৬ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 41
    “বা পেশা” শব্দগুলি “ব্যবসা” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৭ ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 42
    “ব্যবসা বা পেশা হইতে আয় পরিগণনায় ধারা ৪৯, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩ ও ৫৪ এর শর্ত পরিপালন সত্ত্বেও” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও কমাগুলি “ব্যবসা” হইতে আয় পরিগণনায়” শব্দগুলির পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৮(ক) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 43
    দফা (ক) অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৮(খ) ধারাবলে বিলুপ্ত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 44
    “স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার, ডিরেক্টর শেয়ারহোল্ডার বা প্লেসমেন্ট শেয়ারহোল্ডারকে” শব্দগুলি ও চিহ্ন “শেয়ারহোল্ডার পরিচালককে” শব্দগুলির পরিবর্তে অর্থ (২০২৫-২০২৬ অর্থ বৎসর)আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৯ নং আইন) এর ৫০(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 45
    “২৫ (পঁচিশ)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দ “২০ (বিশ)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দের পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৮(গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 46
    “ব্যবসায়িক টার্নওভার এর ৬% (ছয় শতাংশ) অথবা নীট ব্যবসায় মুনাফার ১৫% (পনের শতাংশ), যেটি কম,” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি, ও বন্ধনীগুলি “নীট ব্যবসায় মুনাফার ১০% (দশ শতাংশ)” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি, চিহ্নগুলি ও বন্ধনীগুলির পরিবর্তে অর্থ (২০২৫-২০২৬ অর্থ বৎসর) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৯ নং আইন) এর ৫০(গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 47
    দফা (জ) অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৮(ঘ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 48
    উপ-দফা (অ) অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৮(ঙ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 49
    “১% (এক শতাংশ)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দগুলি “০.৫% (শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দগুলির পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৮(চ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 50
    দফা (ড) অর্থ (২০২৫-২০২৬ অর্থ বৎসর) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৯ নং আইন) এর ৫০(ঘ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 51
    দফা (ঢ) অর্থ (২০২৫-২০২৬ অর্থ বৎসর) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৯ নং আইন) এর ৫০(ঙ) ধারাবলে বিলুপ্ত।
  • 52
    “২৪, ২৬, ২৭, ৩৩, ৩৬ ও ৩৭” সংখ্যাগুলি, চিহ্নগুলি ও শব্দ “২৫, ২৬, ২৮, ২৯, ৩৬, ৩৭, ৪২ ও ৪৩” সংখ্যাগুলি, চিহ্নগুলি ও শব্দের পরিবর্তে অর্থ (২০২৫-২০২৬ অর্থ বৎসর) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৯ নং আইন) এর ৫০(চ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 53
    “:” চিহ্ন “।” চিহ্নের পরিবর্তে অর্থ (২০২৫-২০২৬ অর্থ বৎসর) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৯ নং আইন) এর ৫০(চ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 54
    শর্তাংশ অর্থ (২০২৫-২০২৬ অর্থ বৎসর) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৯ নং আইন) এর ৫০(চ) ধারাবলে সন্নিবেশিত।
  • 55
    “কোনো বিয়োজন বা কোনো দায়ের বিপরীতে সৃষ্ট কোনো বিয়োজন” শব্দগুরি “যেকোনো দায়” শ্বদগুলির পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৪ (২০২৪ সনের ৫ নং আইন) এর ২৫(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা ২০২৪ সনের ১ জুলাই হইতে কার্যকর।
  • 56
    “পরিসম্পদের” শব্দটি “ভূমি বা আঙ্গিনার” শ্বদগুলির পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৪ (২০২৪ সনের ৫ নং আইন) এর ২৫(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা ২০২৪ সনের ১ জুলাই হইতে কার্যকর।
  • 57
    “লোকসান” শব্দ “ক্ষতি” শব্দের পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ৪৮(ছ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 58
    দফা (প) অর্থ আইন, ২০২৪ (২০২৪ সনের ৫ নং আইন) এর ২৫(গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা ২০২৪ সনের ১ জুলাই হইতে কার্যকর।
Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs